এইমাত্র পাওয়া:

কোরিয়ায় নববর্ষের আনন্দে মাতলেন শেকড়সন্ধানী প্রবাসীরা

রবিবার, ১৫/০৪/২০১৮ @ ৮:৫২ অপরাহ্ণ

ওমর ফারুক হিমেল, দক্ষিণ কোরিয়া : চৈত্রের শেষে পাতাঝরানো পথে বাঙালির বুকে হাজির বাংলা নতুন বছর ১৪২৫। ঢাক-ঢোল বাজিয়ে রঙে-ঢঙে সেজে উৎসব আমেজে দেশব্যাপী উদ্‌যাপিত হয়ে গেল পয়লা বৈশাখ ও বর্ষবরণ উৎসবের। জাতিসত্তার এই আনন্দঘন আত্মপ্রকাশে সিউল দূতাবাসের বৈশাখী আয়োজনে নববর্ষ উদযাপনে মেতে উঠেছেন শিকড়সন্ধানী প্রবাসী বাঙালিরাও।

একই সুরে মেতে উঠেছেন বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় উৎসব পয়লা বৈশাখে। প্রতি বছরের মতো বাংলাদেশ দূতাবাস এবারও আয়োজন করে দেশটির সবচেয়ে বড় বৈশাখী মেলার। রবিবার এ দেশটিতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায় মেলায় আগত দর্শকদের।

সিউলের ইথেওনের নক্সাপিয়ংয়ে হয়ে গেল বাংলা বর্ষবরণ ১৪২৫। বেলায় ১১ টায় দূতাবাসের সামনে থেকে বৈশাখী র‍্যালী উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম,দূতাবাসের সামনে থেকে র‍্যালী শুরু হয়, র‍্যালী গিয়ে শেষ হয় নোকসাপিয়ং মোড়ে, র‍্যালীতে দূতাবাস কর্মকর্তা, ককর্মচারীদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন।

সিউল দূতাবাসের ঐতিহ্যবাহী এ শোভাযাত্রায় শত শত বাঙালি বৈশাখী সাজে অংশ নেন। লাল সাদা আর বর্ণিল পোশাকে উৎসবমুখর হয়ে উঠে নকসাপিয়ং পার্কসংলগ্ন এলাকা। এবারে বৈশাখী উপলক্ষে নোকসাপিয়ং প্রাঙ্গণে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নতুন আর পুরোনো প্রজন্মের মিশেলে ব্যতিক্রমী ফ্যাশন আর নাচে-গানে হাজার হাজার দর্শক সরব হয়ে ওঠেন। চৈতী, হ্রদি, তানিসার নৈপুণ্য নাচে আগত দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায় মুহুর্মুহু হাততালিতে।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সমবেত গান’ পরিবেশনা করেন রাষ্ট্রদূত, প্রথম সচিব জাহিদ ইসলাম ভূঁইয়া, বুলবুল আহমেদ,আশুতোষ অধিকারী, ম্যাক্সিম চৌধুরীসহ অনেকে, মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা।উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন, দূতাবাসের প্রথম সচিব (হেড অব সেন্সরি) রুহুল আমিন, জাহাঙ্গীর হোসাইন, কবি বুলবুল আহমেদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দূতাবাস কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ।

প্রবাস জীবনে ব্যস্ত সময়ের ফাঁকে মানুষগুলো মেতে ওঠেন আড্ডা-খুনসুটিতে। চটপটি-ফুচকার সঙ্গে জিলাপি ঝালমুড়ি, ইলিশ, পান্তাভাত, আলু ভর্তা, কালো জিরা ভর্তাসহ নানান স্বাদের ভর্তা। খাবারের স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি উপভোগ করেছেন দেশীয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। দূতাবাসের এই আয়োজনে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম সমাপনী বক্তব্য বলেন, দেশীয় সংস্কৃতির লালন, নতুন প্রজন্ম ও বিদেশীদের কাছে বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরার লক্ষ্যে দূতাবাস প্রতিবছর বৈশাখের আয়োজন করে থাকে। সকলকে দেশীয় সংস্কৃতির আকঁড়ে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

ওএফএইচ/এডি/একুশে

Ad

সাম্প্রতিক খবর

কপিরাইট © ২০১৬-২০১৭ . সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত. এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা লেখার অংশবিশেষ কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ

একুশে পত্রিকা

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে সাবস্ক্রাইব বাটনে ক্লিক করুন