১৯ আগস্ট ২০১৮, ৩ ভাদ্র ১৪২৫, শনিবার
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

মামলা করবেন মহিউদ্দিন চৌধুরীর ভাতিজা রুবায়েত

একুশে প্রতিবেদক
প্রকাশিতঃ শুক্রবার, আগস্ট ১০, ২০১৮

চট্টগ্রাম : সুস্থ হলেই হামলার বিষয়ে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর ভাতিজা, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদস্য বেলায়েত হোসেন রুবায়েত। শুক্রবার বিকেলে চমেক হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের বেডে শুয়ে একুশে পত্রিকার কাছে এ কথা জানান তিনি।

এ প্রসঙ্গে বেলায়েত হোসেন রুবায়েত বলেন, ঘটনার পর গতকাল রাতে আমার চাচাত ভাই, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধানের কথা বলে আমাকে ফোন করেন। কিন্তু আমি বলেছি, কোনো সমাধান নয়, সুস্থ হয়ে আমি সন্ত্রাসী হামলার ব্যাপারে মামলা করবো। হামলাকারিদের বিচার চাইব। বলেন বেলায়েত হোসেন রুবায়েত।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরের চশমা হিলে বাড়িতে নিজেদের জায়গায় সীমানায় ১১ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক খুঁটি বসানোর প্রতিবাদ করলে হামলার শিকার হন বেলায়েত হোসেন রুবায়েত। হামলায় তার মাথা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের সৃষ্টি হয়। বর্তমানে তিনি চমেক হাসপাতালের ২৮ নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রুবায়েত মহিউদ্দিন চৌধুরীর বড়ভাই মাঈনুদ্দিন চৌধুরীর সন্তান। চশমা হিলে পাশাপাশি থাকে এই দুই পরিবার। অভিযোগ রয়েছে, মহিউদ্দিন চৌধুরীর কনিষ্ঠ সন্তান সালেহীনের উপস্থিতিতে ছাত্রলীগ নেতারা অতর্কিতে রুবায়েতের উপর হামলা চালানো হয়েছে।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রুবায়েত বলেন, ঘটনার আগে আমার বাড়ির সামনে ১১ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক খুঁটি বসাচ্ছিলেন পিডিবির লোকজন। আমি এর প্রতিবাদ করলে পিডিবির এক ইঞ্জিনিয়ার এসে আমার সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান। কিন্তু তার আগেই অতর্কিতভাবে আমার উপর হামলা করে সোলায়মান বাদশা নামের এক সন্ত্রাসী। তার সঙ্গে ছিলেন চবি ছাত্রলীগের প্রাক্তন সাধারণ সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি সুজন, নগর ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক রাহুল দাশ, অনিক, মোর্শেদ, জাবেদ, হাসান খান, রোবেল। চাচাত ভাই সালেহীন (মহিউদ্দিন চৌধুরীর সন্তান) এবং পুলিশের উপস্থিতিতে আমার উপর হামলা চালানো হলেও তারা কেউই আমার সহযোগিতায় এগিয়ে আসেনি।

কেন এই হামলা, পূর্বের কোনো বিরোধ ছিল কিনা জানতে চাইলে বেলায়েত হোসেন রুবায়েত বলেন, পূর্ব থেকে মহিউদ্দিন চাচার পরিবারের সঙ্গে আমাদের কিছুটা বিরোধ ছিল। কিন্তু এ বিরোধ হামলা পর্যন্ত গড়ানোর মত নয়। কেনই বা এই হামলা, আমার অপরাধ কী আমি এখনো জানি না।

প্রসঙ্গত, চবি ছাত্রলীগের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী সুজন মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুর পর থেকে তার সন্তান ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে কাজ করছেন সুজন।

ছবি : আকমাল হোসেন

একুশে/এএইচ/এটি