১৫ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫, বুধবার

‘জীবনে’র দগ্ধ জ্বালা হার মানল শিল্পী হারানোর জ্বালায়

প্রকাশিতঃ শনিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৮, ৮:১৪ অপরাহ্ণ

রাকীব হামিদ, জমিয়াতুল ফালাহ থেকে ফিরে : ৭ বছর বয়সী ইরফান হোসেন জীবন। বুকজুড়ে পোড়া ব্যান্ডেজ। তাতেও দমেনি এবির এই অন্ধ ক্ষুদে ভক্ত। দমে যাওয়াটাও সহজ নয়।

কারণ প্রিয় শিল্পীকে হারানোর যে জ্বালা, তা হার মানিয়েছে জীবনের দ্বগ্ধ বুকের জ্বালাকেও। তাই তো প্রিয় শিল্পীকে শেষবারের মতো দেখতে নগরীর সিএন্ডবি কলোনী থেকে জমিয়াতুল ফালাহতে ছুটে এসেছিল এই শিশু অনুরাগী।

শনিবার বিকেল ৩টা থেকে আইয়ুব বাচ্চুকে শ্রদ্ধা জানাতে শোকের মিছিলে নগরবাসীর ঢল নামে জমিয়াতুল ফালাহতে। ভক্তকূলের দীর্ঘ সারি মাঠ পেরিয়ে মূল সড়কে ছাড়িয়ে যায়। সেই শোকের মিছিলের দীর্ঘ সারিতে ছিল জীবনও। তখনই তার সাথে কথা হয় একুশে পত্রিকার।

মোমবাতির আগুন নিয়ে বাথরুমে যাবার সময় ক’দিন আগে বুক পুড়ে যায় জীবনের। বুকে পোড়া ব্যান্ডেজ নিয়ে আজ এবিকে দেখতে এসেছে সে।

এই ক্ষুদে ভক্ত একুশে পত্রিকাকে বলেন, আইয়ুব বাচ্চুর গান খুব ভাল লাগে। চট্টগ্রামে যেখানেই ওনার কনসার্ট হতো ছুটে যেতে ইচ্ছে হতো। জীবনে উনাকে কাছ থেকে একবারই দেখেছি। সেটিও খুব বেশি দিনের নয়। ১৩ অক্টোবর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে এবিকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ মেলে। কে জানতো সেটিই ছিল শেষ দেখা।

আইয়ুব বাচ্চুর ‘এক আকাশে তারা তুই’, ‘সুখেরই পৃথিবী’, ‘হাসতে দেখো’ গান প্রিয় ছিল জীবনের। এসব গান নিয়েই বাকি জীবন প্রিয় শিল্পী এবিকে ভালোবেসে যাবে জীবন।

একুশে/আরএইচ/এটি

ছবি : আকমাল হোসেন