১৫ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫, বুধবার

অবরোধের দ্বিতীয় দিনে বন্দরে কনটেইনার জট

প্রকাশিতঃ সোমবার, অক্টোবর ২৯, ২০১৮, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ

ছবি : আকমাল হোসেন

চট্টগ্রাম : বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকা অবরোধের দ্বিতীয় দিনে নগরে কিছু সংখ্যক হিউম্যান হলার চললেও চলেনি বড় বাসগুলো। আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহন বন্ধ রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরে।

সোমবার দুপুর পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি-রপ্তানির কোনো পণ্য প্রবেশ বা বের হতে পারেনি। ফলে বন্দরের ভেতরে ও বাইরে অন্তত পাঁচ হাজার কনটেইনার আটকা পড়েছে।

বন্দর সুত্র জানায়, বন্দরে জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানো-নামানো স্বাভাবিক থাকলেও পরিবহন ধর্মঘটের কারণে পণ্যখালাস দেয়া যাচ্ছে না। গতকাল (রোববার) সকাল ৮টা থেকে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় বন্দরের ভেতরে পণ্য নিতে কোনো গাড়ি ঢোকেনি। অন্যদিকে পণ্য নিয়ে আসা কোনো গাড়িও বন্দরে প্রবেশ করেনি।

চট্টগ্রাম বন্দরের সিংহভাগ আমদানি-রপ্তানি পণ্য খালাস হয় কাভার্ডভ্যান, ট্রাক ও কনটেইনারবাহী গাড়িতে। আমদানি-রপ্তানি পণ্য আনা-নেয়া করতে প্রতিদিন বন্দরে প্রায় ৫-৭ হাজার ট্রাক-কাভার্ড-ট্রেইলার প্রবেশ করে। প্রতিদিন ৬ হাজার থেকে ৮ হাজার কনটেইনার পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আনা-নেয়া হয়।

বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপো অ্যাসোসিয়েশনের (বিকডা) সভাপতি নুরুল কাইয়ুম খান জানান, শুধু রোববারের শিডিউল হিসেবে রপ্তানি পণ্যবোঝাই এক হাজার ৮০০ টিইউইএস কনটেইনার জাহাজীকরণের জন্য জেটিতে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল।

অপরদিকে, বন্দর থেকে আইসিডিতে আনার কথা ছিলো এক হাজার টিইউইএস আমদানি কনটেইনার। একইভাবে আরও প্রায় দুই হাজার খালি কনটেইনার আইসিডি থেকে বন্দরে ও বন্দর থেকে আইসিডিতে পরিবহনের শিডিউল ছিল। সবমিলিয়ে প্রায় পাঁচ হাজার কনটেইনার আইসিডি ও বন্দরের ভেতরে আটকা পড়েছে।

এদিকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, ধর্মঘটের কারণে নির্দিষ্ট সময়ে রপ্তানিপণ্য জাহাজে তুলতে না পারলে কনটেইনার বন্দরে রেখেই জেটি ত্যাগ করবে। ফলে যথাসময়ে ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে অর্ডার বাতিলও হয়ে যেতে পারে।

একুশে/এসসি/এটি