১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, মঙ্গলবার

খুনের পর স্ত্রীর মাথা আলাদা করেন রাজু

প্রকাশিতঃ সোমবার, অক্টোবর ২৯, ২০১৮, ৫:৫২ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর ছোটপুল এলাকায় নালা থেকে আনুমানিক ২০ বছর বয়সী এক নারীর বস্তাবন্দি গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের তিনদিন পর মাথাও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গত ২৬ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টায় গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের পর সোমবার ভোররাতে ওই নারীর স্বামীকে হালিশহর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার তথ্যের ভিত্তিতে ডবলমুরিং থানাধীন বেপারী পাড়াস্থ পইট্টা দীঘির পশ্চিম পাড় কবরস্থানের দক্ষিণ পাশে ঝোপের ভেতর থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতার মো. জাহিদ হোসেন রাজু (২৮) নিহত সুমি ইসলামের স্বামী ও খাগড়াছড়ির মাটিরাঙা উপজেলার কাজীপাড়ার হারুনুর রশিদের ছেলে। বাকি দুজন হলেন- আব্দুল জলিল ও তার স্ত্রী ফেরদৌস। তারা সুমির প্রতিবেশী।

পুলিশ জানায়, দেড় বছর আগে খুলনার বাসিন্দা সুমিকে বিয়ে করে ছোটপুল এলাকায় বসবাস করছিলেন রাজু। তার দাবি, সুমি বিভিন্ন ছেলের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলতেন। এটা নিয়ে কয়েকবার তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে। ২৫ অক্টোবরও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। রাত পৌনে ২টার দিকে রাজু, আব্দুল জলিল এবং ফেরদৌসি পরিকল্পিতভাবে সুমিকে প্রথমে রশি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।

পরে উদ্ধারকৃত ছোরা দিয়ে দেহ হতে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং লাশ গোপন করার জন্য বেপারী পাড়াস্থ পইট্টা দীঘির পশ্চিম পাড় কবরস্থানের দক্ষিণ পাশে ঝোপের মধ্যে মস্তকটি ফেলে দেয়। এবং মস্তক বিহীন দেহটি হালিশহর থানাধীন ছোটপুল ইসলাম মিয়া ব্রীকফিল্ডের ৩নং রোডস্থ খান সাহেব এবং জাবেদ এর বাড়ীর মাঝখানে নালার মধ্যে বস্তায় ঢুকিয়ে বস্তার মুখ রশি দ্বারা বেঁধে নালায় ফেলে দেয়।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) আমেনা বেগম বলেন, রাজুকে গ্রেফতারের পর তার তথ্যের ভিক্তিতে লাশের মাথা ও ঘটনায় ব্যবহার করা ছোরাটি উদ্ধার করা হয়। সে জানিয়েছে, হত্যা এবং লাশ গুম করতে তাকে সহযোগিতা করেছেন প্রতিবেশী আব্দুল জলিল ও তার স্ত্রী ফেরদৌসী।