১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ২ পৌষ ১৪২৫, রবিবার

নির্বাচনে হারলে ‘পিঠের চামড়া’ থাকবে না : আ.লীগ নেতা সুজন

প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, নভেম্বর ২০, ২০১৮, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ


চট্টগ্রাম: এবার কোনোভাবে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করতে না পারলে কারো ‘পিঠের চামড়া’ থাকবে না বলে নেতাকর্মীদের সতর্ক করে দিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

মঙ্গলবার নগরের ৩৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ আয়োজিত কর্মীসমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সুজন বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনের মত গা ভাসিয়ে দেয়ার মানসিকতা পরিত্যাগ করে মাঠে থাকতে হবে। এবার যদি কোনোভাবে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করতে না পারে তাহলে কারো পিঠের চামড়া থাকবে না। প্রতিক্রিয়াশীল জোট শুধু আওয়ামী লীগ ধ্বংসের হোলিখেলায় মেতে উঠবে তা নয়, এ দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, উন্নয়ন অগ্রগতির চাকাকে পিষ্ট করার খেলায়ও মত্ত থাকবে।

‘আমাদেরকে মনে রাখতে হবে-এ নির্বাচন কেবলমাত্র উন্নত বাংলাদেশ গঠনের নির্বাচন নয়। এই নির্বাচন আগামী প্রজন্মের বাংলাদেশ গঠনের নির্বাচন।’ বলেন খোরশেদ আলম সুজন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, গত ১০ বছর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশকে বিশ্বে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য, অবকাঠামোসহ সার্বিক উন্নয়ন সূচকে সফলতা অর্জন করে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জন করেছে। এ অর্জন সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ, বিচক্ষণ দেশ পরিচালনার কারণে।

তিনি বলেন, দেশের এই উন্নয়ন ধরে রাখতে হলে আওয়ামী লীগকে নৌকায় ভোট দিয়ে আবার সরকার গঠনের সুযোগ করে দিতে হবে। নয়তো সমস্ত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বন্ধ হয়ে যাবে। এই দেশকে আবার পিছনের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী জোট গঠনের নামে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য, দেশের মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া নির্বাচনী আমেজ নস্যাৎ করার জন্য তারা নানামুখী অপকৌশল অবলম্বন করছে। এই অপতৎপরতা প্রতিরোধে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদেরকে সতর্ক থাকতে হবে।

৩৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি এম হাসান মুরাদ এর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক জাহিদুল আলম মিন্টুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নগর আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজী জহুর আহমদ,কার্যকরী সদস্য মো. নুরুল আলম, কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, মহিলা কাউন্সিলর আফরোজা কালাম, হাজী ইদ্রিস মিয়া ও এস এম আবু তাহের।