১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ৪ পৌষ ১৪২৫, মঙ্গলবার

ইসি সচিবসহ ২২ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি ঐক্যফ্রন্টের

প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২২, ২০১৮, ৪:১৩ অপরাহ্ণ

একুশে ডেস্ক : তিন সচিবসহ জনপ্রশাসনের ২২ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এরমধ্যে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের নামও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচন পরিস্থিতি ও মাঠের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ব্যাপারে বারবার দাবি জানানো হলেও সরকারের সাজানো প্রশাসনে কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে সরকারের সাজানো প্রশাসন বহাল থাকায় সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়।

এতে আরও বলা হয়, তফসিল ঘোষণার পর ১০/১২ দিন পার হয়ে গেলেও নির্বাচন কমিশন যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তার দৃশ্যমান কোনও কার্যক্রম দেখা যায়নি। তার ওপর সরকারের সাজানো প্রশাসনে দলবাজ ও বিতর্কিত কর্মকর্তারা নির্বাচনি মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। কমিশন এসব কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

ঐক্যফ্রন্ট জানিয়েছে, চিঠিতে যেসব কর্মকর্তার নাম দেওয়া আছে তার বাইরেও অন্য কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষণ করছে তারা এবং বিতর্কিত কাউকে পাওয়া গেলে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে। কর্মকর্তাদের পরিচয়ের পাশাপাশি ঐক্যফ্রন্টের দৃষ্টিতে তাদের নিয়ে বিতর্কের কারণ উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে।

জনপ্রশাসনের যেসব কর্মকর্তার প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে তার মধ্যে রয়েছেন- জনপ্রশাসন সচিব ফয়েজ আহমেদ, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান, খুলনার বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, ভোলার ডিসি মাসুম আলম সিদ্দিকী, চট্টগ্রামের ডিসি মো. ইলিয়াস হোসাইন, কুমিল্লার ডিসি মো. আবুল ফজল মীর, ফেনীর ডিসি মো. ওয়াহিদুজ্জামান, লক্ষ্মীপুরের ডিসি অঞ্জন চন্দ্র পাল, কিশোরগঞ্জের ডিসি সারোয়ার মোর্শেদ চৌধুরী, নরসিংদীর ডিসি সৈয়দা ফারহানা কাওনাইন, টাঙ্গাইলের ডিসি মো. শহীদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের ডিসি শরত কুমার নাথ, খুলনার ডিসি মো. হেলাল হোসাইন, কুষ্টিয়ার ডিসি মো. আসলাম হোসাইন, নড়াইলের ডিসি আঞ্জুমান আরা, ময়মনসিংহের ডিসি সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, জয়পুরহাটের ডিসি মো. জাকির হোসাইন, নওগাঁর ডিসি মো. মিজানুর রহমান, রাজশাহীর ডিসি এসএম আবদুল কাদের এবং সিলেটের ডিসি কাজী এমদাদুল হক।

একুশে/ডেস্ক/এসসি