১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, বৃহস্পতিবার

প্রভাবশালী নারীর তালিকায় চার ধাপ এগিয়েছেন শেখ হাসিনা

প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৬, ২০১৮, ৩:২৩ অপরাহ্ণ

ঢাকা : ফোর্বস ম্যাগাজিনের করা প্রভাবশালী নারীর তালিকায় ধারাবাহিক উন্নতি ঘটেছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। ২০১৮ সালের তালিকায় চার ধাপ এগিয়ে এবার শেখ হাসিনার অবস্থান ২৬ নম্বরে। মঙ্গলবার প্রকাশিত ফোর্বস ম্যাগাজিনে বিশ্বের একশ প্রভাবশালী নারী এ তথ্য উঠে আসে।

ফোর্বস’র গত বছরের তালিকায় শেখ হাসিনার অবস্থান ছিল ৩০তম স্থানে। তার আগের বছর তিনি ছিলেন ৩৬ নম্বরে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী ফরচুনের করা বিশ্বের প্রভাবশালী শীর্ষনেতাদের তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন শেখ হাসিনা। প্রভাবশালীদের তালিকায় তাকে রেখেছিল টাইম ম্যাগাজিনও।

এ বছরের শীর্ষ ১০০ ক্ষমতাধর নারীর তালিকা সম্পর্কে ফোর্বসের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ক্ষমতা কাঠামোর পরিবর্তন ও তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা নারীরা এ বছর ১০০ ক্ষমতাধর নারীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দশম জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে এই দায়িত্ব পেয়েছেন। এর আগে, ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্তও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ১৯৮১ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী
লীগের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন শেখ হাসিনা।

গত বছরের আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়া ও তাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনে তার ভূমিকার প্রশংসা করেছে ফোর্বস।

ম্যাগাজিনটিতে শেখ হাসিনার পরিচয় ও অবদান উল্লেখ করতে গিয়ে লেখা হয়েছে, ২০১৭ সালে শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও তাদের জন্য বাংলাদেশে ২ হাজার একর জমি বরাদ্দ দিয়েছেন। মায়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে প্রাণে বাঁচতে এই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এছাড়া ‘বাংলাদেশ স্থায়ীভাবে রোহিঙ্গাদের বোঝা মাথায় নেবে না’— এ লক্ষ্যে রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

শেখ হাসিনাকে ফোর্বসের তালিকায় স্থান দেওয়ার ক্ষেত্রে মায়ানমারের বাস্তচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

মায়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি দুই বছর আগে এই ফোর্বসের তালিকায় ২৬তম অবস্থানে ছিলেন। গত বছর তার অবস্থান ৭ ধাপ পিছিয়ে যায়। এবার শেখ হাসিনা ২৬তম স্থানে উঠে এলেও সু চির স্থান হয়নি ১০০ জনের মধ্যে।

২০০৪ সালের পর এই প্রথম ফোর্বসের তালিকায় স্থান পাননি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন।

এদিকে, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে দ্বিতীয় ও আইএমএফ চেয়ারম্যান ক্রিস্টিন লাগার্দ এই তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন উপস্থাপক অপরাহ উইনফ্রে ২০তম, কুইন এলিজাবেথ-দ্বিতীয় ২৩তম এবং
ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ও তার উপদেষ্টা ইভাংকা ট্রাম্প রয়েছেন তালিকার ২৪তম স্থানে।