১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, বৃহস্পতিবার

কারচুপি করে নির্বাচনে জেতার অভিপ্রায় নেই : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ শনিবার, ডিসেম্বর ৮, ২০১৮, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ

বাসস : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকার অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় উল্লেখ করে বলেছেন, ভোট কারচুপি করে নির্বাচনে জেতার কোন অভিপ্রায় তাঁর সরকারের নেই।

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হোক। আর কারচুপি করে নির্বাচনে জেতার কোন ইচ্ছে আমাদের নেই।’

প্রধানমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় গণভবনে ৩০৭ জন জেষ্ঠ্য অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি একথা বলেন। এসব কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বিজয়ের জন্যে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তাঁর সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ খুশি হয়ে আমাদের ভোট দিলেই আমরা ক্ষমতায় থাকব, না হলে নয়।’

২০০১ সালের নির্বাচনের উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, সেই নির্বাচনে আমরা ভোটের সংখ্যায় হারিনি। ‘অনেক বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও আমরা বেশি ভোট পেয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের কম আসন দেয়া হয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ২০০১ সালের নির্বাচনের ফলাফল সংক্রান্ত একটি ডকুমেন্ট পেয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে কোন কোন আসন দেয়া হবে আর কোন কোন আসন দেয়া হবে না তা লাল, হলুদ, সবুজ ও নীল কালিতে চিহ্নিত করে রাখা হয়েছিল। এ থেকে বোঝা যায়, সে বছর নির্বাচন কিভাবে মঞ্চায়িত হয়েছে।’

সাবেক সচিব অশোক মাধব রায়, ড. খন্দকার শওকত হোসেন, এসএম আলী কবির ও কামরুন্নেসা খানম এবং সাবেক প্রধান তথ্য কর্মকর্তা এ কে এম শামীম চৌধুরী, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি শামসুদ্দোহা খন্দকার, কৃষিবিদ ওয়াসিউজ্জমান আখন্দ, ইঞ্জিনিয়ার কবির আহমেদ ভূঁইয়া, অধ্যাপক দিলারা হাফিজ, স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচাল ডা. দীন মোহাম্মদ নূরুল হক, রাষ্ট্রদূত আবদুল হান্নান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক নোমানুর রশিদ, সাবেক অতিরিক্ত সচিব আনসার আলী খান অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন।
কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন। সাবেক মূখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।