শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

দেশে দারিদ্র্যতা ১০ শতাংশে নেমে আসবে, থাকবে না ভিক্ষুক : তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ শনিবার, জুলাই ২০, ২০১৯, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষুধা ও দারিদ্র্যতামুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। আমরা এখন দেশকে ক্ষুধামুক্ত করেছি। আগামী নির্বাচনের আগে দারিদ্র্যতা ১০ শতাংশে নেমে আসবে। ক্রমান্বয়ে দেশ দারিদ্র্যতামুক্ত হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ২০০৮ সালে যখন সরকার গঠন করা হয় তখন বাংলাদেশের দারিদ্র্যতা ছিল ৪১ শতাংশ। বর্তমানে সেটি কমে ২০ শতাংশে নেমে এসেছে। আগামী নির্বাচনের আগে দারিদ্র্যতা ১০ শতাংশে নেমে আসবে।

শনিবার (২০ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে তথ্যমন্ত্রীর ঐচ্ছিক তহবিল থেকে ২৬১ জনকে আর্থিক অনুদান প্রদান এবং এডিপির অর্থায়নে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠটানে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠটানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খলিলুর রহমান চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র মো. শাহজাহান সিকদার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) পূর্বিতা চাকমা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম, নারী ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ারা বেগম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ইদ্রিছ আজগর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার, কোদালা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম তালুকদার, সরফভাটা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নিসর্গ মেরাজ চৌধুরী, থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার খায়রুল বশর মুন্সি প্রমুখ।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশকে ভিক্ষুকমুক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন। ইতিমধ্যে দেশের কয়েকটি উপজেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশে এখন প্রকৃতপক্ষে বাধ্য হয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করা অনেকাংশে কমে গেছে। সন্তান সন্ততিরা যেসব বাবা-মা’র খবরা খবর রাখেন না এবং নানাবিদ কারণে কিছুসংখ্যক ভিক্ষাবৃত্তি আছে। দেশে যে পরিমাণ ভিক্ষাবৃত্তি আছে তারা এখন আর মানুষের দরজায় গিয়ে বাসি ভাত খোঁজেন না। বাসি ভাত খোঁজার ডাক এখন আর বাংলাদেশের কোথাও শোনা যায়না। কারণ বাসি ভাতের সমস্যা আমরা সমাধান করতে পেরেছি।

তিনি বলেন, ঐচ্ছিক তহবিলের উপকারভোগী নির্বাচনে কারা নৌকায় ভোট দিয়েছেন কারা দেননি তা বিবেচনা করা হয়নি। দারিদ্র্যতাকেই বিবেচনা করা হয়েছে। গত ১১ বছর ধরে প্রতি বছরই যিনি পাওয়ার যোগ্য তাকেই দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগেও রাঙ্গুনিয়ায় এমপি-মন্ত্রী ছিল কিন্তু তারা এধরনের কোনো সুবিধা সাধারণ মানুষকে দিতে পারেননি।

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, কদিন আগে বন্যায় রাঙ্গুনিয়ায় ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য ৮০ টন জিআরের চাল বরাদ্দ দিয়ে বিতরণ করা হয়েছে। যেসব রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সেগুলো পুনঃনির্মাণের জন্য সংশ্লিস্ট দপ্তরের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণসহ প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। শিলক খালের ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধ মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এসময় বন্যাসহ বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ দলীয় নেতাকর্মীদের আহ্বান তথ্যমন্ত্রী।

একুশে/প্রেসবিজ্ঞপ্তি