সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২ পৌষ ১৪২৬

কাশ্মীরের ‘অতীত গৌরব’ ফিরিয়ে আনা হবে : মোদী

প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৫, ২০১৯, ২:০৪ অপরাহ্ণ


নয়াদিল্লী: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দাবি করেছেন যে, ভারত শাসিত কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের সিদ্ধান্ত কাশ্মীরের ‘অতীত গৌরব’ ফিরিয়ে আনবে।

ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেয়া ভাষণে তিনি বলেন ভারতের উন্নয়নে কাশ্মীর ‘গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা’ রাখবে।

কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেয়া ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০ বিলোপ করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নকে তার সরকারের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন বলে দাবি করেন তিনি।

কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেয়া ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০ কাশ্মীরে শুধু দুর্নীতিকেই অনুপ্রেরণা দিয়েছে বলে দাবি করেন মোদী।।

তবে গত সপ্তাহ থেকে কাশ্মীরে চলতে থাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা বা অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করে কার্যত বন্ধ করে রাখার বিষয়টি বক্তব্যে উল্লেখ করেননি মোদী।

দিল্লির ঐতিহাসিক লাল কেল্লায় স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেয়া বক্তব্য একথা বলেন মোদী।

অন্যদিকে ১৪ই অগাস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এক ভাষণে ভারতের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন।

কিন্তু মোদী তার বক্তব্যে ইমরান খানের মন্তব্যের বিষয়ে কোনো কথা বলেননি।

হাজারো কাশ্মীরির বিক্ষোভের ওপর পুলিশের ছররা গুলি, শুরুতে ভারত দাবি করেছিল এই বিক্ষোভটি হয়নি
বরং ভারতের অভ্যন্তরে যারা অনুচ্ছেদ ৩৭০ বিলোপের সমালোচনা করছে, তাদের সমালোচনা করে মোদী অভিযোগ করেন যে তারা ‘রাজনীতির খেলা’ খেলছেন।

মোদী বলেন, “আমার রাজনৈতিক ভবিষ্যত নিয়ে আমি চিন্তা করি না। আমার কাছে আমার দেশের ভবিষ্যতই সবার আগে।”

এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে কাশ্মীর বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। সেখানে টেলিফোন, মোবাইল বা ইন্টারনেটের সংযোগ নেই।

পাশাপাশি মানুষ যেন বিক্ষোভ না করতে পারে সেজন্য অনেকটা কারফিউ’র মত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

তবে নিরাপত্তার কড়াকড়ির মধ্যেও শুক্রবার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরের শ্রীনগরের একটি এলাকায় বিক্ষোভ হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

নরেন্দ্র মোদীর ভাষণে কাশ্মীরের বিষয়টি প্রাধান্য পেলেও পাশাপাশি আরো কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে।

স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে প্রথমবারের মত একজন সেনাপ্রধান নিয়োজিত করার কথা বলা হয়, যার কর্তৃত্ব থাকবে ভারতের তিনটি সশস্ত্র বাহিনীর ওপর।

এছাড়া মানুষকে প্লাস্টিক ব্যবহারের বিষয় সচেতন হওয়ার অনুরোধ করেন তিনি, পাশাপাশি ভারতের বিভিন্ন এলাকায় পানিস্বল্পতা, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাস্থ্যসেবার বিষয়গুলো উঠে আসে তার বক্তব্যে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি

মহান বিজয় দিবস ২০১৯ উপলক্ষে একুশে পত্রিকা কর্তৃক একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যেগকে স্বাগত জানাই। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের পক্ষ হতে উক্ত প্রকাশনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই-

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

একটি সুখী, সমৃদ্ধ, ক্ষুধা ও দারিদ্র স্বপ্নীল ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার এবং সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ প্রতিষ্টার প্রত্যয় নিয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ নিজস্ব উন্নয়ন কর্মসূচি এবং ২৮ টি ন্যস্ত বিভাগের বিভাগীয় কার্যক্রমের সমন্বয় সাধনসহ নিম্নবর্ণিত কার্যদি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেঃ

১) শিক্ষা
২) স্বাস্থ্য সেবা
৩) কৃষি
৪) মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ
৫) ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প
৬) যোগাযোগ
৭) পানীয় জল ও স্যানিটেশন
৮) সমবায় ও সমাজ সেবা কার্যক্রম
৯) ক্রীড়া ও সংস্কৃতি কর্মকান্ড
১০) স্থানীয় পর্যটন
১১) আইসিটি সেক্টর উন্নয়ন এবং
১২) মানব সম্পদ উন্নয়ন ইত্যাদি।

একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক ও সম্প্রীতিত মডেল জেলা হিসেবে বান্দরবানকে গড়ে তোলাই হলো আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার-

ক্য শৈ হ্লা
চেয়ারম্যান
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ
বান্দরবানান