সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২ পৌষ ১৪২৬

আনোয়ারায় নতুন কৌশলে জুয়াড়িরা, ‘জুয়া’ এবার মোবাইলে

প্রকাশিতঃ রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯, ৫:০২ অপরাহ্ণ

জিন্নাত আইয়ুব, আনোয়ারা : সারাদেশে ক্যাসিনো ও জুয়ার বিরদ্ধে চলমান অভিযানের মধ্যেও চুনোপুটি জুয়াড়িরা অবলম্বন করছে নতুন কৌশল। আড়ালে নয় প্রকাশ্যে মোবাইলে চালাচ্ছে রমরমা লুডু জুয়া। এই ধরনের লুডু জুয়ায় জড়িতেদের বেশির ভাগই ছাত্র ও যুবক। আনোয়ারা উপজেলায় এর প্রভাব বেশ লক্ষণীয়। এর ফলে বিপথগামী হচ্ছে ছাত্র ও যুবসমাজ। জুয়ার টাকা সংগ্রহ করতে জড়াচ্ছে বিভিন্ন অপকর্মে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, আনোয়ারার বৈরাগ, মহাদেবপুর, গুয়াপঞ্চক, বন্দর, চাতরী, আনোয়ারা সদর এলাকাসহ উপজেলার বিভিন্ন ছোটবড় দোকানে, খেলার মাঠে, স্কুলমাঠে বা গোপন কোনো ঘরে সকাল থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত চলছে এসব লুডু জুয়া। যার ফলে ছাত্ররা স্কুলে না গিয়ে ধাবিত হচ্ছে জুয়া খেলায়। অন্যদিকে সারাদিনের উপার্জিত অর্থ সন্ধ্যার সময় জুয়ার পেছনে ব্যয় করছে যুবকরা।

সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, এই লডু জুয়াসহ বাজিমাতধারী অন্যান্য খেলার মাধ্যমে ছাত্র ও যুবসমাজ নষ্টের পথে যাচ্ছে। মোবাইলে এসব জুয়া খেলাকে বন্ধ করতে না পারলে যুবসমাজ ক্রমান্বয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। একই সাথে পরিবারের মধ্যে কলহ বাড়বে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মানবিক সংগঠন ‘শেকড় এর আনোয়ারা শাখা’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফারুক একুশে পত্রিকাকে বলেন, আনোয়ারা উপজেলায় মোবাইলে জুয়া খেলার প্রবণতা বেড়েই চলেছে। শুধু লুডু খেলা নয়, বিপিএল ক্রিকেট খেলায় ৩৬৫ বিট নামক জুয়ায় ছাত্র ও যুবসমাজ ঝুঁকে পড়ছে। এমতাবস্থায় বিপথগামী ছাত্র, যুবসমাজকে রক্ষা করতে হলে আমাদের সবাইকে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সবাই যার যার জায়গা থেকে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুললে এই খেলা নির্মূল করা সম্ভব।

গুয়াপঞ্চক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিধান চৌধুরী একুশে পত্রিকাকে বলেন, আনোয়ারায় প্রায় অলিগলিতে বসে মোবাইলে লুডু খেলার নামে জুয়া খেলা। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। প্রশাসন উদ্যোগী হলে শিক্ষার্থীদের ক্ষতিগ্রস্থের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।

এ ব্যাপারে আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দুলাল মাহমুদ একুশে পত্রিকাকে বলেন, ক্যাসিনো ও জুয়া নির্মূলে সারাদেশে অভিযান পরিচালনা করছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। জুয়াড়িরাও নিত্য নতুন কৌশলে এগুচ্ছে বলে শুনেছি। জুয়া খেলা অপরাধ। কিন্তু মোবাইলে জুয়া খেললে এদের শনাক্ত করা কঠিন। মোবাইলে জুয়া খেলা বন্ধে সামাজিক সংগঠনগুলোকে এর অপকারিতার বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতনতামূলক কাজ করতে হবে। এতে আমাদের পক্ষ থেকেও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। এ ব্যাপারে কারো অভিযোগ থাকলে থানায় জানাতে অনুরোধ করেন ওসি।

একুশে/জেআই/এসসি

মহান বিজয় দিবস ২০১৯ উপলক্ষে একুশে পত্রিকা কর্তৃক একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যেগকে স্বাগত জানাই। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের পক্ষ হতে উক্ত প্রকাশনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই-

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

একটি সুখী, সমৃদ্ধ, ক্ষুধা ও দারিদ্র স্বপ্নীল ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার এবং সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ প্রতিষ্টার প্রত্যয় নিয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ নিজস্ব উন্নয়ন কর্মসূচি এবং ২৮ টি ন্যস্ত বিভাগের বিভাগীয় কার্যক্রমের সমন্বয় সাধনসহ নিম্নবর্ণিত কার্যদি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেঃ

১) শিক্ষা
২) স্বাস্থ্য সেবা
৩) কৃষি
৪) মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ
৫) ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প
৬) যোগাযোগ
৭) পানীয় জল ও স্যানিটেশন
৮) সমবায় ও সমাজ সেবা কার্যক্রম
৯) ক্রীড়া ও সংস্কৃতি কর্মকান্ড
১০) স্থানীয় পর্যটন
১১) আইসিটি সেক্টর উন্নয়ন এবং
১২) মানব সম্পদ উন্নয়ন ইত্যাদি।

একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক ও সম্প্রীতিত মডেল জেলা হিসেবে বান্দরবানকে গড়ে তোলাই হলো আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার-

ক্য শৈ হ্লা
চেয়ারম্যান
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ
বান্দরবানান