সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

চবি ছাত্রলীগ সভাপতির অনুসারীদের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

প্রকাশিতঃ শুক্রবার, অক্টোবর ১৮, ২০১৯, ৮:১৩ অপরাহ্ণ


চবি প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাঁদা না দেয়ায় ছাত্রলীগ সভাপতি রেজাউল হক রুবেলের অনুসারীদের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১৬ অক্টোবর) চবি আমানত হলে রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মোরশেদুল আলম রিফাত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী।

লিখিত অভিযোগে মোরশেদুল আলম রিফাত উল্লেখ করেন, বুধবার রাতে শাহ আমানত হলে ছাত্রলীগের সিএফসি গ্রুপের নেতাকর্মীরা তাকে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় তারা অস্ত্র ঠেকিয়ে তার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে। একপর্যায়ে তারা মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। অভিযোগে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সাত জনের নাম উল্লেখ করা হয়। তারা ছাত্রলীগ সভাপতি রেজাউল হক রুবেলের অনুসারী বলেও জানান মোরশেদুল আলম রিফাত।

অভিযুক্তরা হলেন, ইতিহাস বিভাগ ২০১৫-১৬ সেশনের রাসেল, সমাজতত্ত্ব বিভাগের একই সেশনের শিক্ষার্থী আরিফ ও প্রদীপ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী রাসেল দিসান, আইন বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী সাদি, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী মোহন ও আরবী বিভাগের একই সেশনের শিক্ষার্থী শাফিন।

এ বিষয়ে মোরশেদুল আলম রিফাত একুশে পত্রিকাকে বলেন, সিএফসি গ্রুপের নেতা ও চবি ছাত্রলীগ সভাপতি রেজাউল হক রুবেলের অনুসারীরা আমার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করছিল। বুধবার তারা আমাকে আমানত হলে ধরে নিয়ে গিয়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনতাই করে নেয়। পরে হল থেকে বেরিয়ে আসার সময় রাসেল, আরিফ, প্রদীপ, দিসান, সাদি, মোহন ও শাফিনসহ বেশ কয়েকজন আমাকে বেধড়ক মারধর করে৷ এ ঘটনায় আমি সভাপতি রেজাউল হক রুবেলের এই অনুসারীদের বিরুদ্ধে প্রক্টর অফিসে ছিনতাইয়ের লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

এ বিষয়ে চবি ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল একুশে পত্রিকাকে বলেন, তাদের বন্ধুদের মধ্যে ব্যক্তিগত দ্বন্ধের জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে। এর সাথে চবি ছাত্রলীগের কোন সম্পৃক্ততা নেই। যদি কেউ অপরাধী হয় তাহলে তার সঠিক বিচারের দাবি জানাচ্ছি আমরা। পাশাপাশি ছাত্রলীগ কর্তৃক তাদের অপরাধ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাছাড়া ছেলেটির সাথে আমাদের কথা হয়েছে। আমরা বসে এ বিষয়ে আলোচনা করে মিমাংসা করবো।

এ দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ভারপ্রাপ্ত রেজাউল করিম একুশে পত্রিকাকে বলেন, আমরা ঘটনাটির অভিযোগ পেয়েছি।অভিযুক্তদের পুলিশ নজরদারিতে রাখছে। আগামী রবিবার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।