বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬

ভারতের নতুন মানচিত্রকে প্রত্যাখ্যান পাকিস্তানের

প্রকাশিতঃ রবিবার, নভেম্বর ৩, ২০১৯, ১০:০৭ অপরাহ্ণ


পাকিস্তান : অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলকে প্রদর্শন করে গিলগিট-বাল্টিস্তান ও আজাদ জম্মু-কাশ্মীরের কিছু অংশকে নিজেদের ভূখণ্ডের অন্তর্ভূক্ত করে ভারতের প্রকাশিত নতুন মানচিত্রকে অনৈতিক আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তান।

রোববার (০৩ অক্টোবর) পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে ভারতের প্রকাশিত নতুন মানচিত্রকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। শনিবার ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে ভেঙে কেন্দ্র শাসিত দুটি অঞ্চল হিসেবে নতুন মানচিত্র প্রকাশের তথ্য জানায়।

নতুন মানচিত্রে দেখা যায়, পাকিস্তান অধিকৃত আজাদ জম্মু-কাশ্মীরের কিছু অংশ ভারতের লাদাখের অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

গত ৫ আগস্ট অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সংক্রান্ত সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর শনিবার নতুন মানচিত্র প্রকাশ করে নয়াদিল্লি। ৩১ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ নামে কেন্দ্রশাসিত দুটি অঞ্চল করা হয়।

পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২ নভেম্বর ভারত যে মানচিত্র প্রকাশ করেছে তা ভুল, বেআইনি, অসার এবং এ সম্পর্কিত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবসমূহের পুরোপুরি লঙ্ঘন। পাকিস্তান এই রাজনৈতিক মানচিত্র প্রত্যাখ্যান করছে; যা জাতিসংঘের মানচিত্রের সঙ্গে বেমানান।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আমরা আবারও বলছি, ভারতের কোনো পদক্ষেপই জাতিসংঘের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বদলাতে পারবে না। ভারত সরকারের এ ধরনের পদক্ষেপ অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের জনগণের স্বায়ত্ত্বশাসনের অদম্য লড়াইকে দমাতে পারবে না।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবনা অনুযায়ী কাশ্মীরের জনগণের স্বায়ত্ত্বশাসনের সংগ্রামে পাকিস্তান সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। ভারতের এই সিদ্ধান্তের জেরে জাতিসংঘের পাশাপাশি চীন, তুরস্ক ও অন্যান্য দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

গত সপ্তাহে নয়াদিল্লি সফরে এসে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মেরকেল অধিকৃত কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জার্মান এই চ্যান্সেলর বলেন, অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের চলমান পরিস্থিতি স্থিতিশীল নয় এবং এই অবস্থার পরিবর্তন দরকার। সূত্র : ডন, স্ক্রল ইন

একুশে/এএ