রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬

মোংলা-পায়রায় ৭, চট্টগ্রামে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত

প্রকাশিতঃ শুক্রবার, নভেম্বর ৮, ২০১৯, ৮:২৭ অপরাহ্ণ


ঢাকা: বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। এটি আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় পায়রা সমুদ্রবন্দর এলাকা থেকে প্রায় ৪৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় বুলবুল ঘণ্টায় ১২৫ কিলোমিটার বেগের বাতাসের শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসছে উপকূলের দিকে।

এ কারণে পায়রা ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামীকাল শনিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাতের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত এবং কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে বঙ্গোপসাগর। শুরু হয়েছে বৃষ্টিও। ঘূর্ণিঝড়টি শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরো ঘনিভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

অতি প্রবল এই ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার, যা ১২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

এদিকে শুক্রবার বিকেলে সচিবালয়ে প্রস্তুতি সভা শেষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবেলায় উপকূলীয় সাত জেলার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, আগামীকাল শনিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত নাগাদ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’। ফসল ছাড়া বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা নেই বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।