শনিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, ১২ মাঘ ১৪২৬

অর্থপাচারে অভিযুক্তদের শাস্তি দিতে চিঠি, ক্ষুব্ধ সিএন্ডএফ এজেন্টদের কর্মবিরতি

প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১৪, ২০২০, ১:৩২ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম: বিদেশে অর্থপাচার বা মানিলন্ডারিংয়ে জড়িত সিএন্ডএফ এজেন্টগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছেন চট্টগ্রামের কাস্টমস কমিশনার; এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওই চিঠি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে সিএন্ডএফ এজেন্টরা।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন সিএন্ডএফ এজেন্টরা। ফলে কাস্টমসে আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত কোনো বিল অব এন্ট্রি দাখিল হয়নি।

এর আগে গত ১২ জানুয়ারি এনবিআরে চট্টগ্রাম কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল আলম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানিকারক ও এদের সাথে যোগসাজসে পণ্যের চালান খালাসে জড়িত সিএন্ডএফ এজেন্টদের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন ১৯৬৯ প্রয়োগ করে লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করা হয়।

চট্টগ্রামের তিন হাজারেরও বেশি সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান কাস্টমস কমিশনারের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন। এর জের ধরে শুল্ক মূল্যায়ন বিধিমালা ২০০০ এর বিধি অনুযায়ী পণ্য চালান শুল্কায়ন, কাস্টমস কর্মকর্তাদের হয়রানি বন্ধ সহ কয়েক দফা দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করে চিটাগাং কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিএন্ডএফ) এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন।

চট্টগ্রাম কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু বলেন, কায়িক পরীক্ষার নামে কাস্টম কর্মকর্তাদের চাঁদাবাজি চলছে। ফলে আমদানিকারকরা চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস না করে ঢাকায় আইসিডিতে অথবা অন্য বন্দরে নিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে রাজস্ব কমে যাবার দায় আড়াল করতে কাস্টম কমিশনার সিএন্ডএফ এজেন্টদের বিরুদ্ধে লেগেছেন।

চট্টগ্রাম কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল আলম বলেন, আন্দোলনকারীদের অভিযোগ সত্য নয়। অর্থপাচার বন্ধে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানি বন্ধ ও সিএন্ডএফ নেতাদের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি দিয়েছি।