বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬

‘ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে’

প্রকাশিতঃ সোমবার, জানুয়ারি ২০, ২০২০, ৯:২৫ অপরাহ্ণ

 

চট্টগ্রাম : উপমহাদেশের আধ্যাত্মিক সাধক ও বিশ্ব সমাদৃত ‘ত্বরিকা-ই-মাইজভাণ্ডারী’র প্রবর্তক গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী’র (ক.) ১১৪তম বার্ষিক ওরশ শরিফ উদযাপনের অংশ হিসেবে ‘শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্ট’ পরিচালিত ‘মাইজাভাণ্ডারী একাডেমি’র ব্যবস্থাপনায় ‘আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি সম্মিলন ২০২০’  অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার (২০ জানুয়ারি) বিকাল ৫টায় জামালখানস্থ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এ আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি সম্মিলন অনুষ্ঠিত হয়।

মাইজভাণ্ডারী একাডেমির সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. অঞ্জন কুমার চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোরশেদুল হক, ইউএসটিসি’র সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া, পঞ্চানন ধামের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সচ্চিদানন্দ রায় চৌধুরী, মেট্রোপলিটন আর্চবিশপ মজেস’র কস্তা সিএসসি।

এসময় আলোচনাকালে বক্তাগণ বলেন, আমাদের বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং সহাবস্থানের যে দৃষ্টান্ত পৃথিবীর বুকে স্থাপন করেছে আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি সম্মিলনের মাধ্যমে তা আরো সুগভীর প্রীতিময়তার রূপ নেবে। বাংলাদেশে আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সকল ধর্মের মনিষীগণ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তৎমধ্যে বার আউলিয়ার পূণ্যভূমি চট্টগ্রামের ক্ষণজন্মা মহান আধ্যাত্মিক সাধক গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (ক.) অন্যতম। যিনি আজীবন মানবতাবাদী, অসম্প্রদায়িক চেতনা লালন করে গেছেন। তাঁর বার্ষিক ওরশ শরিফে এমন আয়োজন তারই প্রমাণ দেয়।

‘তাজকিয়া’র সভাপতি আরেফিন রিয়াদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন এস ডেজ এইচ এম ট্রাস্ট সচিব অধ্যাপক এ ওয়াই এম জাফর, মাইজভাণ্ডরী একাডেমির সচিব ড. সৈয়দ আবদুল ওয়াজেদ, মাইজভাণ্ডারী গবেষক ড. সেলিম জাহাঙ্গীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এ মোহাম্মদ আলী, মো. শাহনেওয়াজ হোসেন চৌধুরী, সৈয়দ মুহাম্মদ শরফ উদ্দিন রাসেল প্রমুখ।

একুশে/এএ