শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

করোনা রোগী বাড়লে কি আমরা খুশি হই, প্রশ্ন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

প্রকাশিতঃ রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২০, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ


ঢাকা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক বলেছেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত সন্দেহে ১০৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে এবং নেগেটিভ ফল পাওয়া গেছে।’ তিনি আরও জানান ‘দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ অপরিবর্তিত রয়েছে। এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত মোট ১৫ জন সুস্থ হয়েছেন।’

আজ (রোববার) মহাখালীতে এক অনলাইন মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, করোনাভাইরাস রোধে আমাদের প্রস্তুতি ছিল কি না। আমি বলতে চাই, আমরা জানুয়ারি মাস থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছি। ঢাকায় ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকদের সুরক্ষার জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অনেকেই বলছেন, আমাদের দেশে সংখ্যা কম কেন? সংখ্যা বাড়লে কি আমরা খুশি হই?’

অনলাইন ব্রিফিংয়ে আইইডিসিআর-এর পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরাও বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আইইডিসিআরসহ ল্যাবগুলোতে ১০৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে কারও শরীরে করোনা পজেটিভ পাওয়া যায়নি। তাই নতুন করে কেউ করোনা আক্রান্ত হয়নি। মৃত্যুও হয়নি।

করোনা মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক বলেন, ‘মন্ত্রণালয় যথেষ্ট কাজ করে যাচ্ছে। অনেকেই বলছেন, আগে থেকে প্রস্তুতি নিলে এ অবস্থা হতো না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শুধু চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারে। বিমানে যাতায়াত চলবে কি না, তা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নয়। ইউরোপ-আমেরিকার বায়ার অর্ডার ক্যানসেল করছে, এটিও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেখার বিষয় নয়।’

হাসপাতালে ভেন্টিলেটর সুবিধার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৩৫০টি ভেন্টিলেটর আছে। আরও ২৫০টি ভেন্টিলেটর আসছে। বিশ্বের অনেক দেশেও এত ভেন্টিলেটর নেই।’

করোনা পরিস্থিতিতে সাধারণ ছুটি বাড়বে কি না এ বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ছুটি বাড়বে কি না তা পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তেজগাঁওয়ে আকিজ গ্রুপের হাসপাতাল তৈরিতে স্থানীয়দের বাধা দেওয়ার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘করোনা প্রতিরোধে সবাই এগিয়ে আসছে, এতে আমরা আনন্দিত। আকিজ গ্রুপ ভবন তৈরি করে দিতে চায়, তাতে সমস্যা না হয়, সেটা দেশবাসীর জন্যই সুবিধা হবে। আমাদের প্রয়োজন না হলে ব্যবহার করব না। আমাদের হাসপাতাল চিহ্নিত করা আছে। এরপরও প্রয়োজন হলে সেখানে রাখা যাবে। আমাদের মনে হয়, জনগণের সহনশীল হওয়া উচিত।’