২৬ এপ্রিল ২০১৯, ১২ বৈশাখ ১৪২৬, বৃহস্পতিবার

কোটা পদ্ধতির সঙ্গে চার কোটি শিক্ষার্থীর জীবিকা জড়িত: ফখরুল

প্রকাশিতঃ সোমবার, এপ্রিল ৯, ২০১৮, ১:৪০ অপরাহ্ণ

কোটা সংস্কারে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন যৌক্তিক। এ কোটার সঙ্গে প্রায় চার কোটি শিক্ষিত যুবকের জীবন-জীবিকার প্রশ্ন জড়িত। এ বিষয় নিয়ে বিএনপি উৎকণ্ঠিত। বললেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন প্রতিবাদে পুলিশ বেপরোয়া লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল, রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে। অথচ দুই বছর আগে কোটা পদ্ধতি সংস্কার করা হলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।

তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বেশ কিছুদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। যেকোনো ব্যক্তি বা সংগঠন তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে নিজেদের বঞ্চিত মনে করলে তা থেকে প্রতিকার পাওয়ার জন্য সোচ্চার হবেন এটাই গণতান্ত্রিক অধিকার।

তিনি আরও বলেন, আমরা ভিশন ২০৩০ এ কোটা সম্পর্কে বলেছি, নারী, মুক্তিযোদ্ধা ও প্রান্তিক জাতিগোষ্ঠীর বাইরে কোনো কোটা থাকবে না। এটা সরকার আমলে নিলে এমন পরিস্থিতি হতো না।

ফখরুল বলেন, গণতান্ত্রিক পদ্ধতির প্রতি এ সরকারের বিন্দুমাত্র কোনো শ্রদ্ধা নেই। গত এক দশকে বহুবার এই সরকার তার প্রমাণ দিয়েছে। তাদের হাতে দেশ ও দেশের জনগণ অন্যায়-অবিচারের শিকার। এ সরকার সমবেত মানুষের কণ্ঠস্বরকে ভয় পায়। জনগণের যৌক্তিক দাবিতে দমন করার জন্য তারা দমন-পীড়নের আশ্রয় নিয়েছে। এরকম অবস্থার অবসান হওয়া জরুরি।

এসময় শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের আন্দোলনে বর্বরোচিত পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তির দাবি করেন বিএনপি মহাসচিব।

আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবি হচ্ছে- সরকারি নিয়োগে কোটার পরিমাণ ৫৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা, কোটার যোগ্য প্রার্থী না পেলে শূন্যপদে মেধায় নিয়োগ, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা না নেয়া, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অভিন্ন বয়সসীমা, নিয়োগ পরীক্ষায় একাধিকবার কোটার সুবিধা ব্যবহার না করা।