২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০ ফাল্গুন ১৪২৫, শুক্রবার

গণভবনে খাবার খাবেন না তবুও খেলেন!

KSRM Advertisement
প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১, ২০১৮, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ

ঢাকা : গণভবনের নৈশভোজে ১৭ রকমের খাবারের মধ্যে সব খাবারই খেয়েছেন ঐক্যফ্রন্টে নেতারা। হোটেল র‌্যাডিসন থেকে চিজ কেক, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন থেকে খাসির রেজালা আর পিয়ারু বাবুর্চির রান্না করা মোরগ পোলাও দিয়ে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের আপ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে খাবারের বেশির ভাগ আনা হয়েছে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকে।

কিন্তু ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না নির্ধারিত সংলাপে অংশ নিলেও নৈশভোজে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এমন তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন। নৈশভোজে অংশ নিলে আলোচনায় ব্যাঘাত ঘটবে জানিয়ে ড. কামাল হোসেন বলেছিলেন, যে সময়টা আছে, আমরা চাইছি সে সময়টায় শুধু আলোচনা হোক। নৈশভোজে অংশ নিলে তো আলোচনায় ব্যাঘাত ঘটবে। এই কারণেই নৈশভোজে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আর কোনো কারণ নেই। সময় তো খুব মূল্যবান।

সন্ধ্যা ৭টায় সংলাপের শুরুতেই ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সামনে কমলা লেবু, আপেল ও তরমুজের শরবত এবং চিপস দেওয়া হয়। শুরু হয় আলোচনা। আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে খাবার সরবরাহ চলতে থাকে।

খাবার তালিকায় ছিল মোরগ পোলাও, সাদা ভাত, বাটার নান, মাটন রেজালা, রুই মাছের দোপেঁয়াজা, চিতল মাছের কোপতা, রান্না করা মুরগির মাংস, গরুর মাংসের কাবাব, স্যুপ, নুডলস, মিক্সড ভেজিটেবল। ছিল কয়েক ধরনের সালাদ।

টক দই, মিষ্টি দই ও চিজ কেক ছিল ডেজার্ট হিসাবে। এছাড়াও ছিল কোমল পানীয়, চা ও কফি।

খাবার সরবরাহের জন্য গণভবনের কর্মচারীদের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের প্রশিক্ষিত খাবার সরবরাহকারীদেরকেও আনা হয়।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে আলোচিত এই সংলাপে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার চেয়ারম্যান ড. কামাল হোসেন।

একুশে/এসসি