১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ৫ মাঘ ১৪২৫, শুক্রবার

জাতীয় নির্বাচন ২৩ ডিসেম্বর

KSRM Advertisement
প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৮, ২০১৮, ৭:২৪ অপরাহ্ণ

একুশে ডেস্কঃ জ্জাতীয় একাদশ সংসদ নির্বাচন আগামী ২৩ ডিসেম্বর (রোববার) অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে নির্বাচনের এই দিন ঘোষণা দেন। সিইসির এই ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

এসময় তিনি জানান, সংবিধানের ১২৩ এর ৩ অনুচ্ছেদের প্রাপ্ত ক্ষমতা বলে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১৯ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া মনোনয়নপত্র বাছাইইয়ের শেষ সময় ২২ নভেম্বর এবং প্রত্যাহার ২৯ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে।

‘দেশব্যাপী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের অনুকূল আবহ সৃষ্টি হয়েছে’ দাবি করে সিইসি বলেন, ‘সংসদ নির্বাচন ঘিরে সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত আগ্রহের জাগরণ ঘটে। তাদের বিপুল উৎসাহ, উদ্দীপনা আর উচ্ছ্বাসে গোটা দেশ উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। রাজনীতিবিদদের কৌশল প্রণয়ন, প্রার্থীদের নির্ঘুম প্রচারণা, সমর্থকদের জনসংযোগ, ভোটারদের হিসাব-নিকেশ, হাট-বাজারে মিছিল-স্লোগান, প্রশাসনে রদ-বদল এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক প্রস্তুতির ঘটনা ঘটে। ভোটের দিনে ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার মধ্যে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।’

সিইসি বলেন, জাতির এমন উচ্ছ্বসিত প্রস্তুতির মধ্যখানে দাঁড়িয়ে আমি প্রত্যাশা করবো, অনুরোধ করবো এবং দাবি করবো, প্রার্থী এবং তার সমর্থক নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধি মেনে চলবেন। প্রত্যেক ভোটার অবাধে এবং স্বাধীন বিবেকে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন।

তিনি বলেন, ভোটার, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, প্রার্থীর সমর্থক ও এজেন্ট যেন বিনা কারণে হয়রানির শিকার না হন বা মামলা-মোকদ্দমার সম্মুখীন না হন, তার নিশ্চয়তা প্রদানের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর কঠোর নির্দেশ থাকবে। দল ও মত নির্বিশেষে সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, ধর্ম, জাত, বর্ণ, নারী ও পুরুষভেদে সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। ভোট শেষে নিজ নিজ বাসস্থানে নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন।

একুশে/আরএইচ