২২ জানুয়ারি ২০১৯, ৯ মাঘ ১৪২৫, মঙ্গলবার

সংলাপ মামার বাড়ির আবদার ছাড়া আর কিছু নয় : কাদের

দলের কাউন্সিল অক্টোবর মাসে

KSRM Advertisement
প্রকাশিতঃ শনিবার, জানুয়ারি ১২, ২০১৯, ৫:৪০ অপরাহ্ণ

ঢাকা : নির্বাচন নিয়ে সংলাপের দাবি মামার বাড়ির আবদার ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ দাবি একেবারেই হাস্যকর; বলেন তিনি।

শনিবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে বিআরটিএ’র ভ্রাম্যমাণ আদালতের (মোবাইল কোর্ট) কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে এই মন্তব্য করেন তিনি। এসময় দলের কাউন্সিল অক্টোবর মাসেই হবে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন নিয়ে দেশে-বিদেশে কোনও প্রকার বিতর্ক নেই। আন্তর্জাতিক বিশ্ব থেকে কোনো প্রশ্ন আমরা এখন পর্যন্ত পাইনি, কাজেই নির্বাচন নিয়ে যারা আজকে অভিযোগ তোলেন তারা নির্বাচনে হেরে গেছেন বলেই হেরে যাওয়ার বেদনা থেকেই এসব প্রশ্ন, এসব অভিযোগ তুলছেন এবং তাদের এই অভিযোগ ধোপে টেকে না। এটার কোনো বাস্তবতা নেই। গণতান্ত্রিক বিশ্ব উল্টো সমর্থন দিয়েছে, সেখানে এ ধরনের সংলাপের কোনও যৌক্তিকতা কিংবা বাস্তবতা বা প্রয়োজনীয়তা এ মুহূর্তে নেই। নির্বাচন নিয়ে সংলাপের দাবি একেবারেই হাস্যকর। আমি বলবো মামা বাড়ির আবদার, এছাড়া আর কিছু নয়।

তিনি বলেন, চারিদিকে আপনারা জনগণের মতামত নিতে পারেন। জনগণ খুব খুশি। জনগণ এই নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে। জনগণের কোনও প্রশ্ন নেই, প্রশ্ন আছে শুধু বিরোধী রাজনৈতিক দলের। তাদের কাছে প্রশ্ন থাকবেই। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের চাঙা রাখতে হলে গরম কথা বলতে হবে।

বিআরটিএর অভিযান প্রসঙ্গে কাদের বলেন, মাঝখানে নির্বাচন থাকায় বিআরটিএর অভিযান স্থগিত ছিল। যে কারণে অনিয়ম বেড়ে গেছে। এক রাতে তো আর পরিবর্তন হবে না। সামগ্রিকভাবে আমাদের মানসিকতা পরিবর্তন জরুরি। আজকে ২ ঘণ্টার মধ্যেই ৯৮ হাজার টাকা জরিমানা ৮টি গাড়ির জব্দ এবং ৩ জনের জেল ও ৪২টি মামলা করা হয়েছে। এই অভিযান নিয়মিত চলবে। বিআরটিএকে এই অভিযান আরো জোরদার করতে বলা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বেড়েছে, ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট যুক্ত হয়েছে। যার কারণে আমরা লাইসেন্সবিহীন গাড়ি, ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আগের চেয়ে আরো বেশি সক্রিয় হয়েছি।

এক্সিডেন্ট শুধু চালকের জন্য হয় না উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আইনকানুন মানার সময় যে অবস্থা সৃষ্টি হয়, রাস্তায় চলন্ত গাড়ির সামনে দৌড়াদৌড়ি। এরকম শুধু যান চলাচলে না, রাস্তা পারাপারের ট্রাফিক আইন কানুন কিছুই কেউ মানতে চায় না। আমাদের পাবলিক রাস্তায় বেপরোয়া ড্রাইভারের মতো মাঝেমধ্যে রাস্তায় চলাচলের সময় এপার থেকে ওপারে যায় এবং এক্সিডেন্ট করে। শুধু যে চালকের জন্য এক্সিডেন্ট হয় তা নয়, যাত্রীর জন্য এক্সিডেন্ট হয়, পথচারীর জন্য এক্সিডেন্ট হয়।

সচেতনতা গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা চেয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সচেতনতা গড়ে তুলতে আমি সবার সহযোগিতা চাই। এসব বিষয়গুলো সাংবাদিকদেরও ক্যাম্পেইনে আনা উচিত। সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে, তা না হলে আমরা রাস্তায় অনিয়ম বিশৃঙ্খলা দূর করতে পারবো না।

একুশে/এসসি