২২ জানুয়ারি ২০১৯, ৯ মাঘ ১৪২৫, মঙ্গলবার

শিগগিরই সংলাপের আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি : কদের

KSRM Advertisement
প্রকাশিতঃ রবিবার, জানুয়ারি ১৩, ২০১৯, ১:৪২ অপরাহ্ণ

একুশে প্রতিবেদক : শিগগিরই গণভবনে সংলাপের আমন্ত্রণ জানিয়ে সব দলকে চিঠি দেয়া হবে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ‘জাতীয় সংলাপ’ এর ডাক দেয়ার পর ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে সব দলের সঙ্গে বসার উদ্যোগ নেয়া হল।

৩০ ডিসেম্বর ভোটের আগে ঐক্যফ্রন্ট ও যুক্তফ্রন্টসহ ৭৫টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সংলাপ হয়েছিল।

রোববার (১৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা এবং আশপাশের জেলা, উপজেলা, পৌরসভা পর্যায়ের কমিটিগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রদের সঙ্গে যৌথ সভায় ওবায়দুল কাদের একথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শনিবার দলের ওয়ার্কিং কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে যৌথ সভা করেছেন। সেখানে বলেছেন যে, ভোটের আগে যাদের সঙ্গে সংলাপ হয়েছে তাদেরকে ফের গণভবনে আমন্ত্রণ জানাবেন। তাদের সঙ্গে মতবিনিময় হবে এবং আপ্যায়নের ব্যবস্থা থাকবে।

কবে ডাকা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, একসঙ্গে সবাইকে দাওয়াত দেয়া হবে। তারিখ খুব শিগগিরই জানিয়ে দেয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের বিষয়ে কাদের বলেন, ড. কামাল হোসেন সাহেব তো জেনেশুনে বিষপান করেছেন। তিনি জানেন বিএনপির সঙ্গে জামায়াত আছে, জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি আছে। নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট করা ভুল হয়েছে। ড. কামাল হোসেনের এই ভুল স্বীকার এবং স্বী তা অব্যাহত রাখলে চলবে।

তিনি বলেন. আমাদের দেশের নেতারা একেক সময় একেক কথা বলেন। কামাল হোসেন সাহেব বিএনপির সঙ্গে ঐক্যফ্রন্ট করেছেন, কাজেই তিনি এখন আবার জামায়াত-বিএনপির সঙ্গে আছে শুনে এটা মনে হয় যেন তিনি অবাক হচ্ছেন। বিএনপির সঙ্গে জামায়াত আছে, এটা জানলে তিনি নির্বাচন করতেন না, এমন কথা তো তিনি কোনো সময় বলেননি। কামাল হোসেন সাহেব যিনি জেনেশুনে কেন এত বড় ভুল করলেন, তাকেই সে ভুলের খেসারত দিতে হবে।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মহিবুল হাসান চৌধুরী প্রমুখ।

একুশে/এসসি