২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১২ বৈশাখ ১৪২৬, বৃহস্পতিবার

কুমিল্লার শিরোপা জয়

প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৯, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ


ঢাকা: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ষষ্ঠ আসরের ফাইনালে ঢাকাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় মিরপুরের শেরো বাংরা স্টেডিয়ামে ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে টসে হেরে আগে ব্যাট করে তিন উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রান তোলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। কুমিল্লার দেওয়া ২০০ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ১৮২ রানে থমকে যায় সাকিবদের ইনিংস। ৮ রানে পরাজয় মেনে নিয়ে মাঠ ছাড়ে ঢাকা।

বিপিএলের ষষ্ঠ আসরে এসে প্রথমবারের মতো ফাইনাল খেলেছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বাঁহাতি ওপেনার তামিম ইকবাল। নিজের প্রথম ফাইনালে এসেই দেখা পেলেন টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি। পেয়েছেন চ্যম্পিয়ন হওয়ার স্বাদও। মাত্র ৫০ বলে সাতটি ছয় ও আটটি চারের মারে তামিম তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারের দেখা পান। শেষ পর্যন্ত ১৪১ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন এ ব্যাটসম্যান।

ওপেনিংয়ে ব্যর্থ হয়েছেন প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে দুর্দান্ত খেলা কুমিল্লার এভিন লুইস। আনামুল হক বিজয় ৩০ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলে সাকিবের বলে ভুল আউটের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরে যান। ইমরুল কায়েস অপরাজিত ছিলেন ১৭ রানে।

ঢাকার হয়ে সর্বোচ্চ চার ওভারে ৪৮ রান দেন রুবেল হোসেন। লুইসকে সাজঘরে পাঠিয়ে বিধ্বংসী বোলিংয়ের বার্তা দিলেও পরে বেদম মার খান। এ ছাড়া সাকিব আল হাসান চার ওভারে ৪৫ রান দিয়ে এক উইকেট শিকার করেন। এই উইকেটের মাধ্যমে এবারের বিপিএলে সর্বোচ্চ ২৩ উইকেট শিকারির খাতায় নাম লেখান ঢাকার অধিনায়ক।

জবাবে খেলতে নেমে রানের খাতা খোলার আগেই উইকেটের খাতা খোলে ঢাকা ডায়নামাইটস। নারাইন দলীয় এবং নিজের রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে যান সাজঘরে। নারাইন ফিরে যাওয়ার শোককে শক্তিতে পরিণত করে বিস্ফোরক ব্যাটিং শুরু করেন রনি তালুকদার। তাকে দেখে অপর প্রান্তে থাকা থারাঙ্গাও মারতে থাকেন চার-ছয়। দুইজনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে পাওয়ার প্লেতে ৭১ রান করে ফেলে ঢাকা। কিন্তু তবুও শেষ পর্যন্ত জয়ের দেখা পায়নি সাবেক চ্যাম্পিয়নরা।

মাত্র ৩৮ বলে সর্বোচ্চ ৬৬ রান আসে রনি তালুকদারের ব্যাট থেকে। থারাঙ্গা আউট হন ৪৮ রান করে। ব্যর্থ ছিলেন অধিনায়ক সাকিব নিজেই। মাত্র ৩ রান আসে তার ব্যাট থেকে। হাসেনি দুই ক্যারিবীয় রাসেল-পোলার্ডের ব্যাট। দুইজনের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১৭ রান।

কুমিল্লার ম্যাচ জয়ের নায়ক পাকিস্তানি পেসার অহাব রিয়াজ। অন্য সব বোলারের উপর চওড়া হলেও তার বলের কাছে এসে যেন থমকে গেছে ঢাকা। তিনি চার ওভারে মাত্র ২৮ রান দিয়ে দিয়ে তিন উইকেট নেন। পেরেরা দুটি ও সাইফুদ্দিন নেন একটি উইকেট।

ছয় আসরের মধ্যে পাঁচ ফাইনাল খেলেছে ঢাকা। চ্যাম্পিয়ন হয় তিনবার। অন্যদিকে কুমিল্লা ছয় আসরের মধ্যে ফাইনাল খেলেছে দুইবার। আর দুইবারই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।