১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৩ ফাল্গুন ১৪২৫, শুক্রবার

সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি সংসদে তুলে ধরবে ১৪ দল

KSRM Advertisement
প্রকাশিতঃ বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৯, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ


ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে কেন্দ্রীয় ১৪ দল চোখের মণির মতো রক্ষা করবে। একইভাবে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি বস্তুনিষ্ঠভাবে সংসদে তুলে ধরবে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম আজ ১৪ দলের সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন, কন্দ্রীয় ১৪ দল আদর্শিক জোট হিসেবে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে আসছে। কোন পদ-পদবির জন্য এ জোট গঠিত হয়নি।’

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়–য়া, ওয়ার্কার্স পার্টিও সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী এমপি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ(একাংশ)’র সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধানসহ ১৪ দলের অন্যান্য নেতা উপস্থিত ছিলেন।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বিএনপি-জামায়াত জাতীয় নির্বাচনে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হলেও এখনও তারা সক্রিয় আছে। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে তারা দেশে-বিদেশে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা আপাতত ঘাপটি মেরে থাকলেও যে কোন সময়ে বিষাক্ত সাপের মতো ছোবল মারতে পারে।

বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে বিএনপির আন্দোলনের হুমকির জবাবে নাসিম বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আদালতে দন্ডপ্রাপ্ত একজন কয়েদি। তিনি এখন কোন রাজনৈতিক নেত্রী নন, দন্ডপ্রাপ্ত আসামী।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া, না দেয়া আদালতের এখতিয়ার। হুমকি-ধমকি দিয়ে তাকে মুক্ত করার কোন সুযোগ নেই।
হাসানুল হক ইনু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে রাজাকার, জঙ্গী ও যুদ্ধাপরাধীমুক্ত করতে আমরা অনেকটা সফল হয়েছি। কিন্তু সাম্প্রদায়িকতা এখনো রয়ে গেছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি বিএনপি-জামায়াত কোনঠাসা হয়ে পড়লেও এখনও তারা গণতান্ত্রিক রাজনীতি অনুস্মরণ করছে না। তারা এখনও চক্রন্তের মধ্যে রয়েছে। তাই তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে দেশে বিদেশে মিথ্যাচার করছে এবং নতুন নির্বাচনের দাবি করছে।

এর আগে মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।