২৭ মার্চ ২০১৯, ১২ চৈত্র ১৪২৫, মঙ্গলবার

‘রাউজানের উন্নয়ন ঈর্ষনীয়, না গেলে টের পাওয়া যাবে না’

KSRM Advertisement
প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, মার্চ ১৪, ২০১৯, ১০:২৭ অপরাহ্ণ


চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের রাউজানে যে উন্নয়ন হয়েছে, তা ঈর্ষণীয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্সে স্মৃতিস্তম্ভ ‘জাগ্রত ৭১’ ও মিডিয়া সেন্টারের উদ্বোধন ও মাদকবিরোধী কনসার্টে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ফজলে করিম ভাই (রাউজান আসনের সাংসদ এ বি এম ফজলে করিম) তাঁর এলাকাকে সুন্দর এলাকায় পরিণত করেছেন। আজকে সারাদিন আমি ঘুরে ঘুরে দেখলাম। আসলেই ঈর্ষণীয় এলাকা তৈরী করেছেন। তাঁর যে অক্লান্ত পরিশ্রম, তাঁর যে রাজনৈতিক বিজ্ঞতা, তাঁর এলাকায় না গেলে টের পাওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, এখানে মেয়র আ জ ম নাছির ভাই আছেন, তিনিও সুন্দর চট্টগ্রাম নগর উপহার দেয়ার জন্য অক্লান্ত কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি অত্যন্ত সুখ্যাতির সাথে কাজ করছেন। এখানে অন্য রাজনীতিবিদ যারা আছেন, সবাই আমাদের যে সফলতা তার অংশীদার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, পুলিশ কমিশনার ও চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন চট্টগ্রামকে নিরাপদ রাখার জন্য। এই তিনজনই পুলিশ বাহিনীতে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। এজন্য চট্টগ্রাম আজ নিরাপদ।

রাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে টানা তৃতীয়বার নির্বাচিত করে ক্ষমতায় এনেছে দেশের মানুষ। যতই পথরোধ করা হোক, ভুল ইতিহাস প্রচার করা হোক সবগুলো ফেলে দিয়েছে জনগণ। আমাদের ইতিহাস আমাদের জাগিয়ে তুলেছে। পুলিশ সদস্যরাও ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়েছে। গৌরবের ইতিহাস তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। সেজন্য তাদেরকে ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

স্মৃতিস্তম্ভ ‘জাগ্রত ৭১’ স্থাপনের প্রসঙ্গটি তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি সবচেয়ে বেশী আকৃষ্ট হয়েছি, জাগ্রত একাত্তর দেখে। মুক্তিযুদ্ধে যে সব পুলিশ সদস্য আহত হয়েছিলেন, নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, শহীদ হয়েছিলেন তাদের স্মরণে জাগ্রত একাত্তর। এটি নির্মাণে যারা এগিয়ে এসেছেন সবাইকে আমি মোবারকবাদ জানাচ্ছি।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, আমাদের সব প্রেরণার উৎস মুক্তিযুদ্ধ। সেটাকে যদি আমরা স্মরণে না রাখি, তাহলে আমরা পথ হারিয়ে ফেলবো।

এ সময় প্রাক্তন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান ও চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।