১৯ মে ২০১৯, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, শনিবার

‘আমার দাদা-দাদি কখনো বাবাকে কিছু বলতেন না’

প্রকাশিতঃ রবিবার, মার্চ ১৭, ২০১৯, ৪:২২ অপরাহ্ণ

 

ঢাকা : অতীতের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার বাবা (জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) ছিলেন মানবদরদী। তিনি ছাত্রদের নিজের বই বিলি করে দিতেন, কাপড় বিলি করে দিতেন। এজন্য আমার দাদা-দাদি আমার বাবাকে কখনো কিছু বলতে দেখিনি, বরং সহযোগিতা করেছেন সবসময়ই।

রবিবার (১৭ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, পরিবারের সহযোগিতায় বিরাট হৃদয়ের অধিকারী হয়ে উঠেছিলেন বঙ্গবন্ধু। এদেশে প্রায়ই দুর্ভিক্ষ লেগে থাকতো, নিজের গোলা খুলে দিয়ে ধান বিলিয়ে দিতেন বাবা। আমার দাদা-দাদি কখনও বকাঝকা করেননি। সবসময় বাবার ভেতরে একটা দানশীল মনোভাব ছিল, মানুষের প্রতি ভালোবাসা ছিল।

তিনি বলেন, বাবার পাশাপাশি মা-ও সাহায্য করতেন। এর জন্য বাবার কাছ থেকে কিছু প্রত্যাশা করতেন না। বঙ্গবন্ধু ত্যাগ স্বীকার করতে পেরেছিলেন বলে মাত্র সাড়ে তিন বছর সময়ের এর মধ্যে শিশুদের শিক্ষা ও অধিকার যাতে নিশ্চিত হয়, সেজন্য ১৯৭৪ সালে শিশুআইন প্রণয়ন করেন। তখন জাতিসংঘও এ আইন করেনি। ১৯৯৪ সালে জাতিসংঘ এ আইন করে। তিনি মেয়েদের শিক্ষাকেও অবৈতনিক করে গেছেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, একুশ বছর তাঁর ভাষণ বাজানো যেত না। ভাষণ বাজাতে গিয়ে অনেককে জীবন দিতে হযেছে। তাঁদের আত্মত্যাগের মধ্যদিয়ে আজ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। যা দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।’ ‘চলে যাবো তবুও যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ প্রাণপনে এ পৃথিবীর সরাবো জঞ্জাল, এ বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ্য করে যবো আমি নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গিকার। কবি সুকান্তের কবিতার পঙতি উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

একুশে/এসসি/এটি