রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০, ২১ আষাঢ় ১৪২৭

যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ চলাকালে সহিংসতায় নিহত ১১, আটক ৯৩০০

প্রকাশিতঃ বুধবার, জুন ৩, ২০২০, ৯:২৮ অপরাহ্ণ


ওয়াশিংটন : যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তার হাতে কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক জর্জ ফ্লয়েডের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলাকালে সহিংসতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১১ জন নিহত ও কয়েকশ’ ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

আজ (বুধবার) লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক কেটিএলএ টেলিভিশনের বরাত দিয়ে রুশ বার্তাসংস্থা তাস এ তথ্য জানিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, জর্জ ফ্লয়েড নিহত হওয়ার পর যারা বিক্ষোভে মারা গেছেন, তাদের মধ্যে শিকাগো, ডেট্রয়েট, ওমাহা, ডেভেনপোর্ট, ওকল্যান্ড, ল্যুইভিলের বাসিন্দা রয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই আফ্রিকান-আমেরিকান।

কেটিএলএ টেলিভিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ওকল্যান্ডে ফেডারেল প্রোটেকটিভ সার্ভিস অফিসার ৫৩ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ ডেভ প্যাট্রিক আন্ডারউড গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। এসময় আরেকজন অফিসার গুরুতর আহত হন। ওমাহায় ২২ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ জেমস স্কারলক নিহত হয়েছেন। তিনি ও তার দল একজন শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তিকে মারধর করছিলেন। এসময় ওই ব্যক্তি স্কারলককে লক্ষ্য করে গুলি করলে তার মৃত্যু হয়। এছাড়া, বিক্ষোভে সহিংসতায় কয়েকশ’ মানুষ আহত হলেও তাদের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপির তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েকদিনে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ হাজার ৩০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে লস অ্যাঞ্জেলেসে দুই হাজার ৭০০ এবং নিউ ইয়র্কে দেড় হাজার বিক্ষোভকারী রয়েছেন।

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লুট, কারফিউ ভঙ্গ এবং সড়কে ব্যারিকেড দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত ২৫ মে মিনিয়াপোলিসে শ্বেতাঙ্গ এক পুলিশ কর্মকর্তার হাতে ৪৬ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মিনিয়াপোলিসসহ আমেরিকার বেশ কয়েকটি শহরে পুলিশি সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভ দমনে দেশটিতে ২০ হাজার ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া, ওয়াশিংটন, লস অ্যাঞ্জেলেস, নিউইয়র্কসহ ৪০টিরও বেশি শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে।