বাঁশখালীতে চোরাই গরুর ক্রেতা আটক, তিন গরু উদ্ধার


বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর ইউনিয়নের পালেগ্রাম থেকে গরু চুরির দায়ে চুরি হওয়া গরুসহ চোরকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

সোমবার (৮ জুন) ভোরে উপজেলার রামদাশহাঁট তদন্ত কেন্দ্রের একদল পুলিশ গরুর মালিকের সহায়তায় জনৈক মেম্বারের বাড়ীর পাশে একটি পরিত্যক্ত ঘরে অভিযান চালিয়ে ৩টি গরু উদ্ধার করে। এ সময় চোরাই গরু ক্রয়কারী দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদার একুশে পত্রিকাকে জানান, ‘আজ সোমবার (৮ জুন) দুপুর ২টায় উদ্ধারকৃত গরুগুলো আদালতের মাধ্যমে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে এবং আটককৃত দুই আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাহারছড়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মধ্যম ইলশা গ্রামে ময়ন আলী চৌধুরী বাড়ীর গৃহকর্তা মাহবুব আলম চৌধুরীর পালিত প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের ৩টি গরু গত শনিবার গভীর রাতে চুরি হয়। এ নিয়ে গৃহকর্তা রবিবার দিনভর উপজেলার বাহারছড়া, কালীপুর, বৈলছড়ি, সাধনপুর ইউনিয়নে পাড়ায় পাড়ায় মাইকিং করেন।

গরুর মালিকের কাছে গোপনে রাতের ১১টার দিকে খবর আসে পালেগ্রামে ৩টি চোরাই গরু ১টি ঘরে তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। পরে রামদাশহাঁট তদন্ত কেন্দ্রের একদল পুলিশের সহায়তায় গরুর মালিক মাহবুবুল আলম চৌধুরী তার ৩টি গরু চিহ্নিত করেন। পুলিশ এ সময় চুরি হওয়া তিনটি গরুসহ কালীপুর ইউনিয়নের পালেগ্রামের আহমদুর রহমানের ছেলে শাহ মিয়া (৪৫) ও পুতন আলীর ছেলে মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে (৪১) আটক করেন।

বাঁশখালী রামদাশহাট তদন্ত কেন্দ্রের উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) খোরশেদ আলম বলেন, ‘কালীপুর ইউপির পালেগ্রাম এলাকায় বাহারছড়া মধ্যম ইলশা গ্রাম থেকে চুরি হওয়া ৩টি গরু উদ্ধার করা হয়েছে এবং জড়িত থাকায় ২ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।