রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৫ আশ্বিন ১৪২৭

ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করল আমিরাত

প্রকাশিতঃ শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২০, ২:৩০ পূর্বাহ্ণ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইসরাইলের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ কুটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার চুক্তিতে সই করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।

বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং আবুধাবির যুবরাজ শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের মধ্যে টেলিফোন আলাপে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।

এ বিষয়ে এক টুইটার বার্তায় ট্রাম্প বলেছেন, ‘আজ এক বিশাল সাফল্য এসেছে! আমাদের দুই বন্ধু রাষ্ট্র ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হলো।’

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু টুইটারে চুক্তি সইয়ের দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করেছেন।

ওয়াশিংটনে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ আল ওতাইবা এক বিবৃতিতে বলেছেন, “এ অঞ্চলের জন্য এটি এক কূটনৈতিক জয়।”

তিনি আরও বলেন, “আরব-ইসরাইল সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটা এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। এ চুক্তি উত্তেজনা নিরসন এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য নবদ্যেম সঞ্চার করবে।”

এদিকে, ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ও ইসলামিক জিহাদ এ চুক্তির নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এ চুক্তির কারণে ফিলিস্তিন সংকট বিন্দুমাত্র হ্রাস পাবে না। স্বশাসন কর্তৃপক্ষের প্রধান মাহমুদ আব্বাস চুক্তির বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে ফিলিস্তিনি দলগুলোর জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।

চুক্তির বিষয়ে আমেরিকা-ইসরাইল ও আরব আমিরাতের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে সম্পর্ক সম্পূর্ণ স্বাভাবিক করতে ‘তিন দেশের নেতা’ একমত হয়েছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই ঐতিহাসিক কূটনৈতিক অগ্রগতি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বয়ে আনবে। এই চুক্তি এমন একটি দলিল যা তিন নেতার সাহসী কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও দূরদর্শিতার পরিচয় দেয় এবং এ অঞ্চলের বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আরব আমিরাত ও ইসরাইলকে নতুন পথের দিশা হবে।’

হোয়াইট হাউসের সিনিয়র কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, চুক্তির আওতায় ইসরাইল পশ্চিম তীরের দখলকৃত এলাকায় যে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করছিল তা স্থগিত রাখবে।