
চট্টগ্রাম : ঐতিহাসিক ‘বদর পুকুর’ রক্ষায় এগিয়ে এলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। পুকুরটির সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের কাজ পুনরায় শুরু করতে বদরপাতি এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্টদের সাথে ফলপ্রসূ বৈঠক করেছেন তিনি।
বদরপাতি এলাকাবাসীর সাথে এ উপলক্ষে এক সমন্বয় সভা মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আন্দরকিল্লাস্থ পুরাতন নগর ভবনের আবদুস সাত্তার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
সভার শুরুতে খোরশেদ আলম সুজন ‘বদর পুকুর সংস্কার প্রকল্প’র বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, মহান অলীদের স্মৃতিধন্য বদর পুকুর। এটি একটি প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহাসিক স্থান। এটিকে রক্ষা করা সকলেরই দায়িত্ব। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ প্রকল্পের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন হলে ‘বদর পুকুর’ শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরেও একটি আধ্যাত্মিক ট্যুরিস্ট স্পট হিসেবে সর্বজনীনতা পাবে। তিনি এলাকাবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে বাকী কাজটুকু শেষ করার তাগিদ দেন।
এসময় সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মফিদুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদুল আলম, ভূমি কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, প্রশাসকের একান্ত সচিব আবুল হাশেম উপস্থিত ছিলেন।
বদরপাতি এলাকাবাসীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সহ সভাপতি হারুন জামান, ৩২নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী, চট্টগ্রাম সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস মুহাম্মদ নোমান লিটন, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগনেতা মহিউদ্দিন শাহ্, বদর পুকুর পাড়স্থ ‘যুবকণ্ঠ’র সভাপতি নুরুল হুদা, বদর আউলিয়া মাজার শরীফের মোতোয়ালি সৈয়দ আবুল হাশেম, আখতার আজিম খান, দিদার আজিম খান, মাহমুদ উল্যাহ্, হাবিব উল্যাহ্, জসিমউদ্দিন, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবুল বশর, নগর স্বেচ্ছাসেবকলীগনেতা জানে আলম, যুবকণ্ঠ’র সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস জ্যাকী, সুমন, মোরশেদ প্রমুখ।
সভায় উপস্থিত এলাকাবাসী বদর পুকুর সংস্কার প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে একাত্মতা প্রকাশ করে সিটি কর্পোরেশনকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এসময় বক্তারা চলমান প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম, দূর্ণীতি, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলরের অদক্ষতা ও সমন্বয়হীনতার ব্যাপারে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এজন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করেন এবং প্রকল্পের কাজে দূর্ণীতির ব্যাপারে তদন্তের আশ্বাস দেন।
