সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১২ মাঘ ১৪২৭

প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম কিছুতেই সহ্য করা হবে না : সুজন

প্রকাশিতঃ সোমবার, নভেম্বর ৩০, ২০২০, ৫:০১ অপরাহ্ণ


চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম নগরে কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিয়ম পরিলক্ষিত হচ্ছে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

আজ সোমবার নগরের টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে প্রশাসকের দপ্তরে প্রকৌশলীদের সাথে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

খোরশেদ আলম সুজন বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নকালীন সময়ে কাজের স্থানে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে। কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শ্লথগতি ও ঢিলেমী পরিলক্ষিত হচ্ছে। কাজের গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

‘এমনকি ঠুনকো অজুহাতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদাররা চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করছে এবং বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না করতে টালবাহানা তৈরি করছে। এর ফলে বরাদ্দকৃত অর্থের অপচয় হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ ধরণের মনোবৃত্তি নেতিবাচক এবং তা কিছুতেই সহ্য করা হবে না।’

প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজের ক্ষেত্রে নেতিবাচক মনোবৃত্তির ঠিকাদারদের উপর চাপ সৃষ্টি করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ বুঝে নেয়ার জন্য প্রকৌশলীদের তাগিদ দেন সুজন। পাশাপাশি চুক্তির শর্তভঙ্গকারী ঠিকাদারদের কালো তালিকাভুক্ত করার নির্দেশও দেন তিনি।

চট্টগ্রামের সড়কগুলোর বিভিন্ন অংশে ওয়াসার যত্রতত্র কাটাকাটিকে নাগরিক দুর্ভোগের অন্যতম কারণ উল্লেখ করে সুজন বলেন, নগরীর রাস্তাঘাট কাটাকাটি করতে হলে ওয়াসাকে চসিকের কাছ থেকে অনুমতি নিতে বলা হলেও তা তারা মানছে না। তাই আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত নগরীতে রাস্তাঘাট না কাটার জন্য ওয়াসাকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

চসিকের প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন, কামরুল ইসলাম, মনিরুল হুদা, আবু ছালেহ, সুদীপ বসাক, ঝুলন কান্তি দাশ, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম, নির্বাহী প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, আবু সাদাত মো. তৈয়ব, বিপ্লব কুমার দাশ, জয়সেন বড়ুয়া, মির্জা ফজলুল কাদের, অসীম বড়ুয়া, শাহিনুল ইসলাম, ফারজানা মুক্তা, আবু সিদ্দীক, জসিম উদ্দিন, সহকারী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, আনোয়ার জাহান, রিফাতুল করিম, মিজবাহ উল আলম, রেজাউল বারী চৌধুরী।