যুক্তরাষ্ট্র থেকে লাখ লাখ অবৈধ অভিবাসী বহিষ্কারের পরিকল্পনা প্রকাশ করল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এ-সংক্রান্ত কঠোর নির্দেশনায় ওই অভিবাসীদের বের করে দেওয়ার আওতা যেমন প্রশস্ত হবে, তেমনি এ প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে। কার্যত যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ১ কোটি ১০ লাখ অবৈধ অভিবাসীর সবাই এর আওতায় পড়তে পারেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, বহিষ্কারের জন্য প্রথম লক্ষ্যবস্তু হবেন অপরাধে জড়িত থাকার রেকর্ড থাকা অবৈধ অভিবাসীরা। এর মধ্যে গুরুতর অপরাধের পাশাপাশি ট্রাফিক আইন ভঙ্গ বা দোকান থেকে জিনিস চুরি করার মতো তুলনামূলকভাবে লঘু অপরাধে যুক্ত, সরকারি সুযোগ-সুবিধার অপব্যবহারকারী ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে বিবেচিত ব্যক্তিরা এর আওতায় পড়বেন। বলা হচ্ছে, এতে করে এজেন্টরা যে অবৈধ অভিবাসীকেই পাবেন, তাঁকেই গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা পাবেন।
বারাক ওবামার আমলে শুধু গুরুতর অপরাধ করা এবং সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে ধরা পড়া লোকজনের মধ্যেই বহিষ্কারের আদেশ সীমিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ট্রাম্পের এ আদেশ সেই নীতির একেবারে বিপরীত। তবে ওবামার সময় শিশু বয়সে অবৈধভাবে প্রবেশকারীদের বহিষ্কার থেকে অব্যাহতি দেওয়ার যে পরিকল্পনা ছিল, তা বহাল রাখা হয়েছে।
নতুন পদক্ষেপ কার্যকর করতে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট (ডিএইচএস) অতিরিক্ত ১০ হাজার কর্মী নিয়োগ করার পরিকল্পনা করছে। এই দপ্তর বলেছে, ‘খুবই সীমিতসংখ্যক ব্যতিক্রম ছাড়া ডিএইচএস ওই পদক্ষেপের সম্ভাব্য বাস্তবায়ন থেকে অভিবাসীদের কোনো শ্রেণি বা ক্যাটাগরিকে বাদ দেবে না। অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী সবাই এ পদক্ষেপ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় পড়তে পারেন। এর মধ্যে থাকবে বহিষ্কারের ব্যবস্থাও।’
