শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭

টেম্পুর হেলপার থেকে সাংবাদিক, অবশেষে চাঁদাবাজিতে ধরা

প্রকাশিতঃ বুধবার, ডিসেম্বর ৯, ২০২০, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ


আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : আনোয়ারা-চন্দনাইশ সড়কের বরকল এলাকায় একটি বেকারিতে চাঁদাবাজি করতে এসে জনতার হাতে দুই যুবক আটক হয়েছে। জনতা তাদেরকে আটক করে চন্দনাইশ থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে।

মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় চাঁদাবাজি করতে এসে হাতেনাতে আটক শওকত হোসেন মুন্না (২৯) আনোয়ারা উপজেলার চাতরী এলাকার জেবল হোসেনের ছেলে। আটক অপরজন মো. সাজ্জাদ হোসেন (২৩) আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ এলাকার মো. জাহাঙ্গীরের ছেলে।

বেকারির মালিক শফি বলেন, এর আগেও বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দিয়ে আমার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়ে যায় মুন্না নামে এই ব্যক্তি। সে নিজেকে কখনো সাংবাদিক কখনো বা পুলিশের লোক বলে পরিচয় দেয়। আজ সন্ধ্যায় এসে আবার ১ লাখ টাকা দাবি করে। দাবি পূরণ না হলে বেকারি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেয় সে।

কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আশপাশের লোকজন জড়ো হলে সে ক্ষমা চেয়ে আর কখনো চাঁদা দাবি করবে না বলে আসার প্রতিশ্রুতি দেয়। এর মধ্যে আনোয়ারার ঢাকা বেকারি ও সুইটস বিপণী কারখানার মালিক এসে অভিযোগ করেন যে ইতোপূর্বে এই চক্রটি তাদের কাছ থেকেও চাঁদা নিয়ে গেছে। তখনই ক্ষুব্ধ লোকজন তাদের আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাদের থানায় নিয়ে যায়।

জানা যায়, আটক মুন্না আগে সিএনজির লাইনম্যান হিসেবে কাজ করতো। লাইনম্যানির কাজ চলে যাওয়ার পর সে বিভিন্ন জায়গায় কখনো সাংবাদিক কখনো পুলিশ, কখনো ক্রাইম পেট্রোলকর্মী পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করে আসছে। সাজ্জাদ এই কাজে তার সহযোগী।

এই বিষয়ে চন্দনাইশ থানার এস আই মাজহারুল বলেন, শওকত হোসেন মুন্না ও মো. সাজ্জাদ নামে দুইজনকে চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে জনতা আটক করে। পরে চন্দনাইশ থানায় খবর দিলে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এই ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।