শুক্রবার, ৫ মার্চ ২০২১, ২১ ফাল্গুন ১৪২৭

সাদেক চৌধুরী ছিলেন সাধারণ জীবন যাপনকারী উচ্চচিন্তার রাজনীতিবিদ : সালাম

প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২১, ২০২১, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ


চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম বলেছেন, এম সাদেক চৌধুরী ছিলেন সাধারণ জীবন যাপনকারী উচ্চচিন্তার রাজনীতিবিদ। দু’দুবার রাঙ্গুনিয়া সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দোর্দণ্ড প্রতাপশালী কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করে বহুমুখি ষড়যন্ত্রের কারণে স্বল্পভোটের ব্যবধানে হেরেছিলেন। তবুও তিনি রাঙ্গুনিয়ার মাঠি ও মানুষের কল্যাণ ও সার্বিক উন্নয়নে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সংগঠনের সাবেক সহ সভাপতি, রাঙ্গুনিয়ার কৃতি সন্তান জননেতা এম সাদেক চৌধুরীর ১৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত
স্মরণসভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে নগরের দোস্ত বিল্ডিংস্থ কার্যালয়ে এই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান আলোচক ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. আতাউর রহমান।

জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বেদারুল আলম চৌধুরী বেদারের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. মঈনুদ্দীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম চিশতী, এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, দেবাশীষ পালিত, মো. জসিম উদ্দীন শাহ, আলহাজ্ব জাফর আহমেদ, আলাউদ্দীন সাবেরী, নাজিম উদ্দীন তালুকদার, এসএম গোলাম রাব্বানী, মো. সেলিম উদ্দীন, প্রদীপ চক্রবর্তী, ডা. নুরুদ্দীন জাহেদ, আলহাজ্ব ফোরকান উদ্দীন আহমেদ, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি তানভীর হোসেন তপু, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম ও প্রয়াত নেতার ছোট ভাই আওয়ামী লীগ নেতা ওসমান গণি চৌধুরী প্রমুখ।

সভায় এম এ সালাম বলেন, ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে আমৃত্যু গণমানুষের জন্য রাজনীতি করেছেন জননেতা সাদেক চৌধুরী। ’৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড-পরবর্তী দুঃসময়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিকে সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে নেয়ার জন্য তাঁর ভূমিকা অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিত্তশালী না হয়েও সততা ও নিষ্ঠার সাথে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতিকে ধারণ করে তিনি মানুষের হৃদয় জয় করেছিলেন।

প্রধান আলোচক শেখ আতাউর রহমান বলেন, দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করাই ছিল জননেতা সাদেক চৌধুরীর রাজনীতির ব্রত। তাঁর মত দেশপ্রেমিক, সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ বিরল রাজনীতিকের মৃত্যুতে দেশ ও সংগঠনের যে ক্ষতি হয়েছে তা সহজে পুরণ হবার নয়। তিনি আদর্শিক রাজনৈতিক কর্মীদের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন অনন্তকাল।

সভার শুরুতে প্রয়াতের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

একুশে/প্রেসবিজ্ঞপ্তি