নাছির স্যারের সহযোগিতা না হলে বিটিভি এ অবস্থানে আসত না : জিএম


একুশে প্রতিবেদক : বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্র আজকের অবস্থানে আসার পেছনে চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের নেপথ্য সহযোগিতার ভূঁয়শী প্রশংসা করেছেন প্রতিষ্ঠানটির চট্টগ্রাম কেন্দ্রের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) নিতাই কুমার ভটাচার্য্য।

সোমবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় একুশে পত্রিকা কার্যালয়ে ‘একটি ভাষণ, একটি দেশ’ ও ‘আমরা ক্ষমার যোগ্য না…’ শিরোনামে যথাক্রমে শাহদিল সুরাহা ও সেলিম নাশিনের দুটি তথ্যচিত্রের উন্মোচন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রাসঙ্গিকক্রমে আ জ ম নাছির উদ্দীনের প্রতি এভাবেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন জিএম।

নিতাই কুমার ভট্টাচার্য বলেন, গতকাল (রোববার) রাত সাড়ে দশটায় আজাদ ভাই (একুশে পত্রিকা সম্পাদক আজাদ তালুকদার) আমাকে যখন ফোন করে বললেন, ‘কাল (৮ মার্চ) বিকেল চারটায় একটি অনুষ্ঠান আছে, আপনাকে আসতে হবে। সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনও অনুষ্ঠানে থাকবেন। আপনারা জানেন, আগামী শুক্রবার আমাদের একটা বিশাল অনুষ্ঠান আছে। সে কারণে আমি প্রচ- ব্যস্ত সময় পার করছি। এরপরও আমি বিনাবাক্যে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি আজাদ ভাইকে। বলেছি চারটার ভেতরেই আসবো এবং তা-ই এসেছি।

এখানে আ জ ম নাছির উদ্দীন স্যার আছেন। আমি যদি তাকে এড্রেস না করি তাহলে আমি আমার বিবেকের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ থেকে যাবো। কারণ আপনারা হয়তো অনেকে নেপথ্যের কথা জানেন না- বাংলাদেশ টেলিভিশন, চট্টগ্রাম কেন্দ্র শুধুমাত্র একটা আঞ্চলিক টেলিভিশন ছিল। এখন সেই টেলিভিশন সমগ্র বাংলাদেশ ছাড়াও ৫০ টিরও বেশি দেশে দেখা যায়।’

‘আর এক্ষেত্রে নেপথ্যে থেকে যে লোকটির অকুণ্ঠ সমর্থন-সহযোগিতায় টেলিভিশনটি আজকের পর্যায়ে এসেছে সেই লোকটি কিন্তু আ জ ম নাছির উদ্দীন; এটি আমার বলতে কোনো দ্বিধা নেই। এ ব্যাপারে আমি খুব আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছি। উনি কয়েকদিন আগেও টেলিভিশনে গিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমি মেয়র নেই তাতে কী, আপনার যে কোনো ভালো কাজের সাথে আমি সবসময় আছি, থাকবো। এর চেয়ে একটা প্রতিষ্ঠান-প্রধানের কাছে আর কী পাওয়ার থাকতে পারে। তিনি আমাকে স্নেহ করেন, সবসময় আমার পাশে থাকেন এটিই আমার জন্য বিরাট কিছু।’ Ñ যোগ করেন নিতাই কুমার ভট্টাচার্য্য।

এসময় আ জ ম নাছির উদ্দীন, ব্যবসায়ী নেতা আবু তৈয়ব, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক শিল্পী সুফিয়া বেগম, একুশে পত্রিকা সম্পাদক আজাদ তালুকদার, মানবাধিকারকর্মী ও একুশে পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেহানা বেগম রানু, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. বিদ্যুত বড়–য়া, একুশে পত্রিকার সম্পাদকীয় পরামর্শক নজরুল কবির দীপু, সৌখিন অ্যানটিক সংগ্রাহতক তারেকুল ইসলাম জুয়েল, আবৃত্তিশিল্পী মিলি চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ, চট্টগ্রাম জুনিয়র চেম্বারের প্রেসিডেন্ট টিপু সুলতান সিকদার, কবি আবু মুসা চৌধুরী, জাতীয় বিতার্কিক ইশরাত জাহান ইমা, নাসরিন কিচেনস-এর কর্ণধার নাসরিন জাহান শিল্পী, চট্টগ্রাম আইটি ফেয়ারের কর্ণধার জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।