আনোয়ারায় মহিষ চোরচক্রের মূলহোতা ধরা ছোঁয়ার বাহিরে!

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: আনোয়ারা ও কর্ণফুলী থানার অভিযানে ৭টি মহিষ উদ্ধার হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া মহিষ মালিকপক্ষ ফেরত পেলেও অজ্ঞাত কারণে চোরচক্রের মূলহোতা জমির মেম্বার ও সদস্যরা ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। দীর্ঘ দিন একটি সিন্ডিকেট করে গরু-মহিষ চোর চোর খেলা খেলে আসছে। পুলিশ এসব বিষয় জানার পরও অজ্ঞাত কারণে রেহাই পেয়ে যাচ্ছে মূলহোতা এমন অভিযোগ রয়েছে।

গতকাল সোমবার ১৫ মার্চ) আনোয়ারার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে মাবুদ ও ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়মের কাছ থেকে মহিষগুলো উদ্ধার করে পুলিশ। যদিও তারা বলেছেন মহিষগুলো জমির মেম্বার থেকে কিনেছে।

মহিষের মালিক হাসান আলী একুশে পত্রিকাকে জানান, নোয়াখালী থেকে ১২টি মহিষ চুরি হয়। এই নিয়ে আমরা নোয়াখালীতে একটি জিডিও করি। পরে আমাদের এক আত্মীয় থেকে খবর পাই আনোয়ারায় কিছু মহিষ ক্রয়-বিক্রয় করতেছে চোরচক্রের মূলহোতা জমির মেম্বার। খবর পেয়ে আমরা আনোয়ারায় এসে ৯৯৯ এ ফোন করি। পরবর্তীতে পুলিশের সহযোগিতায় আমরা ৭টি মহিষ ফেরত পেয়েছি। বাকি ৫টির কোনো খোঁজ পাইনি।

আনোয়ারা উপজেলার বারশত ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জমির উদ্দীন প্রতিবেদকের কাছে শিকার করেছেন তিনি মহিষের ব্যবসা করেন, তার কাছে অনেক মহিষ আছে। সে দুইটা মহিষ জবাইও করেছে। ৪টা মহিষ আনোয়ারা থানা পুলিশ নিয়ে গেছে। এই মহিষগুলো সে সুজন থেকে কিনেছে।

আনোয়ারা উপজেলার ভাইস-চেয়ারম্যান মরিয়ম বেগম একুশে পত্রিকাকে বলেন, তিনি ৩টি মহিষ ১লাখ ৯০ হাজার টাকা দিয়ে জমির মেম্বার থেকে কিনেছেন। যা চোরাই মহিষ বলে কর্ণফুলী থানার বন্দর ফাঁড়ির পুলিশ উদ্ধার করে মূল মালিকের নিকট হস্তান্তর করেন। মহিষ ক্রয়- ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে প্রতিবেদক তার মোবাইল থেকে জমির মেম্বার ও ভাইস-চেয়ারম্যান মরিয়মের সাথে কথা বলিয়ে দেন। ফোনে তারা একে অপরকে দোষারোপ করে তুমুল বাক-যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন।

এদিকে আনোয়ারা উপজেলার বারশত ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জমির উদ্দীন প্রতিবেদকের কাছে শিকার করেছেন তিনি মহিষের ব্যবসা করেন, তার কাছে অনেক মহিষ আছে। সে দুইটা মহিষ জবাইও করেছে। ৪টা মহিষ আনোয়ারা থানা পুলিশ নিয়ে গেছে। এই মহিষগুলো সে সুজন থেকে কিনেছে।

এতসব ঘটনার পরও অদৃশ্য কারণে চোরচক্রের মূলহোতা রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে প্রসঙ্গে আনোয়ারা থানার এস আই আবুল ফারেজ জুয়েল একুশে পত্রিকাকে বলেন, উদ্ধার হওয়া চারটি চোরাই মহিষ মাবুদ নামের একব্যক্তি জমির মেম্বার থেকে কিনার কথা স্বীকার করেছে। জমির মেম্বারের গরু-মহিষ চোর খেলার প্রসঙ্গটা তুলে ধরা হলে তিনি বলেন মহিষের মূল মালিক এই বিষয়ে এজাহার দিলে আমরা ব্যবস্থা নিব।

কর্ণফুলী থানার বন্দর ফাঁড়ির আই সি আবদুর রহিম জানান, উদ্ধারকৃত ৩টি মহিষ মূল মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।