শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ৩ বৈশাখ ১৪২৮

বে টার্মিনালের প্রতিরক্ষা দেয়াল পানি প্রবাহ আটকাবে না, আশাবাদ মেয়রের

প্রকাশিতঃ বুধবার, এপ্রিল ৭, ২০২১, ১০:৪২ অপরাহ্ণ


চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিরক্ষা দেয়ালে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নির্মিত স্লুইস গেট কার্যকারিতা হারাবে এবং পানি চলাচল বাধাগ্রস্ত হবে মন্তব্য করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, বন্দর কর্তৃপক্ষ আমাকে আশ্বাস দিয়েছে এ দেয়ালে পানিপ্রবাহ আটকাবে না।

আজ বুধবার সকালে নগরীর সমুদ্র উপকূলবর্তী কাট্টলিতে প্রস্তাবিত বে-টার্মিনাল নির্মাণ স্থানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণ এলাকা পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, এ দেয়ালের জন্য আসন্ন বর্ষা মৌসুমে এ এলাকায় পানি আটকে নাগরিক দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে। তিনি বিষয়টি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে অবগত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে তাগিদ দিয়েছিলেন বলে জানান।

মেয়র প্রকল্পে দায়িত্বরত চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেন, প্রস্তাবিত বে-টার্মিনাল বাস্তবায়ন শুধু চট্টগ্রামের নয়, সমগ্র দেশবাসীর প্রাণের দাবি। এই দাবি পূরণে প্রধানমন্ত্রী সাড়া দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে সব ধরণের সহায়তা, কারিগরি, প্রকৌশলগত সমর্থন ও প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করেছেন। আমরা চাই এই প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়ন হউক এবং এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক সম্বৃদ্ধি অর্জনের পথ অধিকতর সুগম হবে। তবে প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এমনভাবে চলমান রাখতে হবে যাতে কোন নতুন সমস্যা ও জনদুভোর্গ সৃষ্টি না হয়।

মেয়র বলেন, ‘বিষয়টি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হলে তাঁরা আমাকে আশ্বস্থ করে জানিয়েছেন যে, চউক নির্মিত স্লুইস গেট দিয়ে পানি প্রবাহ যাতে বিঘিœত না হয় বা জলজট না ঘটে সে জন্য প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত দিক বিশ্লেষণ ও ধারণা দ্বারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ জরুরি ভিত্তিতে নেয়া হবে। তাই আশা করি প্রস্তাবিত বে-টার্মিনাল প্রকল্প এলাকায় বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণের ফলে অত্র এলাকায় পানি আটকে থাকার যে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে তা নিরসন হবে এবং চউক নির্মিত স্লুইস গেটের কার্যকারিতা বহাল থাকবে।’

সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী আরো বলেন, ‘উত্তর কাট্টলী লিঙ্ক রোডের বাম দিকে বিপুল পরিমাণ সরকারি খাস জমি থেকে অবৈধ ইটভাটাসহ অননুমোদিত স্থাপনা জেলা প্রশাসন উচ্ছেদ করে দখলমুক্ত করেছে। এ সকল সরকারি খাস জমি সুরক্ষায় এখানে একটি স্মৃতিসৌধ ও ওশ্যান পার্ক গড়ে তুলতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাবণা প্রেরণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

প্রস্তাবিত বে-টার্মিনাল প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে মেয়রের সাথে ছিলেন উত্তর কাট্টলীর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রফেসর ড. নেছার উদ্দিন আহমেদ ও মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।