শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ৩ বৈশাখ ১৪২৮

আমার পর্দানশীন স্ত্রীর পর্দা তারা লঙ্ঘন করেছে: মামুনুল হক

প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৮, ২০২১, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ

ঢাকা: জনতার আদালতে বিচার চেয়ে হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, আমার পর্দানশীন স্ত্রীর পর্দা তারা লঙ্ঘন করেছে।

দেশ ও জাতির সামনে তার পর্দার বিধান লঙ্ঘন করে যে অধিকার তারা ক্ষুণ্ণ করেছে সেটার জন্য জনতার আদালতে বিচার দায়ের করলাম।

বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) বিকালে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বলেন, আমি পুলিশকে তথ্য দিয়েছি। দুই স্ত্রীর নাম আলাদা করে বলেছি। আমার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ আমেনা তৈয়বার নামটি সামনে এনেছেন।

জান্নাত আরা ঝর্ণার কাছ থেকে আমার অনুমতি ছাড়া তার স্টেটমেন্ট ও মন্তব্য ধারণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নারী সদস্যরা। তারা কার অনুমতি নিয়ে জনসম্মুখে এসব প্রচার করেছে?

মামুনুল হক বলেন, ‘বিশ্বের মুসলমান ভাইদেরও তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। একের পর এক মামলা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অনেক মানুষকে হয়রানি করা হবে। অথচ প্রকৃত যারা দোষী, যারা গিয়ে হামলা করলো, সেই সন্ত্রাসিদের ব্যাপারে রাষ্ট্র নীরব।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের ব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। অথচ তাদের নাম পরিচয় দিবালোকের মতো পরিষ্কার। ইনশাআল্লাহ, ইতোমধ্যে তাদের ব্যাপারে আমি এজাহার দায়ের করেছি। আরও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

গত শনিবার (৩ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে এক নারীসঙ্গীসহ স্থানীয় লোকজনের হাতে আটক হন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি মাওলানা মামুনুল হক।

পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। মামুনুল হক ওই নারীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী আমেনা তৈয়বা বলে জানায়। বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে হেফাজতের নেতাকর্মীরা ওই রিসোর্টে ভাঙচুর করে মামুনুল হককে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এরপর একে একে মামুনুল হকের ইস্যুতে একাধিক অডিও ফাঁস হয়। যেখানে মামুনুল হক ওই নারীকে শহীদুল ইসলামের সাবেক স্ত্রী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল।