শ্রীলংকা সফরে টেস্ট এবং ওয়ানডে সিরিজের পর এবার সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজও ড্র করলো বাংলাদেশ। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আজ বৃহস্পতিবার সফরের শেষ ম্যাচ অর্থাৎ টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ খেলায় দুর্দান্ত এক জয়ের মধ্যদিয়ে ৩ ফর্মেটেই ১-১ এ সমতা এনে দারুন এক ইতিহাস রচনা করলো টাইগাররা। শেষ ম্যাচটি ৪৫ রানে জিতলো বাংলাদেশ। আর এই জয়ের মাধ্যমে দলীয় অধিনায়ক মাশরাফিকে আন্তর্জাতিক টি-টেয়েন্টি ক্রিকেট থেকে চমৎকারভাবে বিদায় দিল সতীর্থরা। এই জয়ের জন্য ৩ ওভার বল করে ২১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিলেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান আর ৩টি উইকেট নেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
এর আগে টস জিতে প্রথম ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৭৬ রান করে বাংলাদেশ। সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন সাকিব। এছাড়া ইমরুল ৩৬, সৌম্য ৩৪ রান করেন। এই ম্যাচে শ্রীলঙ্কার হয়ে হ্যাটট্রিক করেন লাসিথ মালিঙ্গা। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে মালিঙ্গার এটি প্রথম হ্যাটট্রিক। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপের মধ্যে পড়েছে শ্রীলঙ্কা। প্রথম ওভারেই লঙ্কান শিবিরে আঘাত হানেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। দ্বিতীয় বলেই বোল্ড হন লঙ্কান ওপেনার কুশল পেরেরা। ২ বলে ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ১৮ ওভার খেলে ১৩১ রানেই অল আউট হয়ে যায় স্বাগতিকরা।
এরপর বিদায় নেন অপর ওপেনার মুনাবিরা। ২.৩ ওভারে সাকিবের বলে মাহমুদউ্ল্লাহর হাতে ক্যাচ দেন লঙ্কান ওপেনার। ৩ বলে চার রান করেন তিনি। ৩.৫ ওভারে অভিষেক ম্যাচে উইকেটের দেখা পেতে পারতেন বাংলাদেশের মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে ব্যাডলাক। মিরাজের বলে থারাঙ্গা ক্যাচ দিলেও তা লুফে নিতে পারেননি মাশরাফি। তবে পরের ওভারেই এর শোধ তোলেন অবশ্য মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
৪.৫ ওভারে রিয়াদের বলে থারাঙ্গা ক্যাচ দেন মিরাজের হাতে। ভুল করেননি মিরাজ। দক্ষতার সঙ্গে তালুবন্দী করে লঙ্কান অধিনায়ককে সাজঘরে ফেরত পাঠান। ২১ বলে তিন চারে ২৩ রান করেন থারাঙ্গা। দলীয় রান তখন ৪০। এরপর মোস্তাফিজের আবির্ভাব। শ্রীলঙ্কার দলীয় ৪০ রানের মাথায় আরও ২ উইকেট তুলে নেন মোস্তাফিজ। ৫.১ ওভারে গুনারতেœকে শূন্য রানে আউট করেন তিনি। গুনারতেœ ক্যাচ তুলে দেন মোসাদ্দেকের হাতে। মোস্তাফিজের পরের বলেই আউট সিরিবর্ধনে। শূন্য রানে ক্যাচ দেন সৌম্য সরকারের হাতে। এর পর আঘাত হানেন দলীয় অধিনায়ক মাশরাফি। তার পর শুধুই জয়ের গল্প।
