হায়দ্রাবাদ হাউজে শীর্ষ বৈঠকে হাসিনা-মোদী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সফরের দ্বিতীয় দিনে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হায়দ্রাবাদ হাউজে এই বৈঠকে বসেন তারা।
এর আগে হায়াদ্রাবাদ হাউজে পৌঁছলে শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান নরেন্দ্র মোদী।

এই বৈঠকের পরপরই দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে, যাতে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলো সই হবে।

এর মধ্যে প্রতিরক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা, পরমাণু বিদ্যুৎ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, স্যাটেলাইট ও মহাকাশ গবেষণা, ঋণ সহযোগিতা, বর্ডার হাট স্থাপন, কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ক্ষেত্রে সহযোগিতার চুক্তি ও এমওইউ থাকছে।

শনিবার সকালে রাষ্ট্রপতি ভবনে মোদীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা নেওয়ার পর রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর সমাধি সৌধে ফুল দিয়ে হায়াদ্রাবাদ হাউজে যান শেখ হাসিনা।

হাসিনা-মোদী শীর্ষ বৈঠকের পর খুলনা-কলকাতা পরীক্ষামূলক আন্তঃদেশীয় ট্রেন সেবার উদ্বোধন করা হবে নয়া দিল্লি থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। একইভাবে চালু হবে ঢাকা-খুলনা-কলকাতা রুটে নতুন একটি বাস সেবা।

দুই নেতার উপস্থিতিতে ভারত থেকে বাংলাদেশের জ্বালানি তেল কেনার কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করা হবে। শনিবারই দুই হাজার ২০০ মেট্রিক টন ডিজেলের চালান রওনা হবে বাংলাদেশের পথে। বিরল-রাধিকাপুর রুটে মালবাহী ট্রেন চলাচল এবং ত্রিপুরার পালটানা বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রক্রিয়ারও উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে এদিন।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পরের পর্বে শেখ হাসিনা ও মোদী হিন্দি ভাষায় ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীর’ মোড়ক উন্মোচন করবেন। সেখানে মধ্যাহ্ন ভোজের আগে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আসবেন তারা।

দিনের কর্মসূটিতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর বিকালে মানেক শ সেন্টারে মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা। সাত শহীদ পরিবারের সদস্যের হাতে মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা তুলে দেবেন তিনি। সেখানে মোদীরও বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।