
খেলাধুলা ডেস্ক : ইংলিশদের ৫ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলো নিউজিল্যান্ড।
এদিন আবুধাবিতে টস হারে ইংলিশ অধিনায়ক ইয়ন মরগান। অবশ্য ব্যাটিংয়ে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দারুণ শুরু পেয়েছিল ইংলিশরা। যদিও ধারাটা ধরে রাখতে পারেনি বাটলাররা।
শুরুর পাওয়ার প্লেতে ৪০ রান তুলে ফেলা দল পরের তিন ওভারে তুলতে পারেন মাত্র ১৩ রান। তবে মাঝে মঈন আলীর সঙ্গে দারুণ জুটি গড়ে দলকে টানেন ডেভিড মালান। আর শেষটায় দুর্দান্ত ফিফটিতে কিউইদের সামনে ১৬৭ রানের লড়াকু টার্গেট ছোটে ইয়ন মরগানের দল।
ব্যাটিংয়ে শুরুটা ভালো হলেও মাঝে দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়েছিল ইংল্যান্ড। ব্যাটিংয়ে ধীরগতিতে রান তোলার জন্য শঙ্কা জেগেছিল বড় স্কোরের! পরে সেই কাজটি দারুণ ভাবে সম্পন্ন করেন মঈন আলী। ইংলিশ অলরাউন্ডারের দুর্দান্ত ফিফটিতে শেষের দিকে লড়াকু টার্গেট পায় ইয়ন মরগানের দল।
অবশ্য শুরুর পাওয়ার প্লে ঠিকভাবেই কাজে লাগিয়েছিলো ইংলিশদের দুই ওপেনার জশ বাটলার ও জনি বেয়ারস্টো। তারা দুজনে প্রথম ৬ ওভারে তুলে ফেলেছিলেন ৪০ রান। কিন্তু এরপরে ব্যাটিংয়ে ওপেন করা বেয়ারস্টোকে ফিরতে হয় ১৭ বলে ১৩ রান করে। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে মিলনের বলে উইলিয়ামসনকে ক্যাচ দেন এই হার্ডহিটার। পরে বেশি সময় থাকতে পারেননি জশ বাটলারও।
কিউই স্পিনার ইশ সোধির ঘুর্ণিতে পরাস্ত হন চলমান বিশ্বকাপে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান জশ বাটলার। রিভিউ নিয়েছিলেন কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। ফেরার আগে তিনি করেন ২৪ বলে ২৯ রান। ইনিংসে ছিল ৪টি চারের মার।
এরপর ৩০ বলে ক্যামিও ইনিংস খেলেন ডেভিড মালান। তার ইনিংসে ছিল ৪টি চার একটি ছয়ের মার। মঈনের সঙ্গে দারুণ জুটি গড়ে এই হার্ডহিটার ফেরেন দলীয় ১১৬ রানের মাথায়। টিম সাউদিকে ছক্কা মারার পরের বলে কনওয়েকে ক্যাচ দেন মালান।
তবে শেষ পর্যন্ত ছিলেন মঈন আলী। ৩৭ বলে ৩ চার আর ২ ছয়ে এই অলরাউন্ডার তার ৫১ রানের ইনিংস সাজান। শেষের দিকে ১০ বলে ১৭ রান করেন লিয়াম লিভিংস্টোন।
