বুধবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২২, ৬ মাঘ ১৪২৮

টিকা দিয়ে সংক্রমণ ঠেকানো যায় না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ শনিবার, জানুয়ারি ১৫, ২০২২, ২:৩৮ অপরাহ্ণ


মানিকগঞ্জ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে টিকা নিলে মৃত্যুর ঝুঁকি কমে যাবে। তবে করোনা থেকে আক্রান্তের হাত থেকে বাঁচতে হলে অব্যশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। মাস্ক পড়তে হবে যাতে আমরা সংক্রমিত না হই। টিকা করোনা সংক্রামন ঠেকাতে পারে না, কিন্তু মাস্ক করোনা সংক্রমিন ঠেকাতে পারে।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে সিটিস্ক্যান মেশিন ও ডায়ালাইসিস ইউনিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তেব্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা মাত্রই ১১ দফার একটি কঠোর বিধি নিষেধ দিয়েছি। আমরা জনসাধারণকে এই নির্দেশনা মানতে আহবান করব। এই নির্দেশনা মানলে দেশে লকডাউনের প্রয়োজন হবেনা। কারণ লকডাউন দিলে দেশের ক্ষতি, মানুষের ক্ষতি। আমরা এমন ক্ষতির সম্মুখীন হতে চাই না।

মন্ত্রী বলেন, করোনা এখন ঊর্ধ্বমুখী। শুক্রবার চার হাজার ৪০০ মানুষ নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তের হার ১৩ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিন যে হারে করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে তা আশঙ্কাজনক। আমি একটি সমীক্ষায় দেখেছি, আক্রান্ত যদি আড়াই হাজার হয়, সেখানে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে দুই থেকে তিন শতাধিক রোগী। এর মধ্যে বর্তমানে এক শতাংশ রোগীর আইসিইউ প্রয়োজন হচ্ছে। এভাবে রোগী ও সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে হাসপাতালে যায়গা হবে না।

জাহিদ মালেক বলেন, আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলায় বেশিরভাগ লোকই মাস্ক ছাড়া। এটা খুবই দুঃখজনক। তবে আশার আলো হচ্ছে আগের চেয়ে অনেক মানুষ মাস্ক পরে। তাই সবাইকে মাস্ক পরতে হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, আমরা ইতোমধ্যে সাড়ে আট কোটি প্রথম ডোজ টিকা দিয়ে ফেলছি। দ্বিতীয় ডোজও পৌনে ছয় কোটি দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে সোয়া ১৪ কোটি টিকা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে। স্কুল শিক্ষার্থীদের ৭০ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে। তাদের এক কোটি ২৫ লাখ টিকার প্রয়োজন পড়বে। এ মাসেই সব শিক্ষার্থী এলে সেটা পূরণ করা সম্ভব। যারা এখনও টিকা নেন নাই তাদেরও তিনি টিকার নেওয়ার আহ্বান জানান।

এসময় জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি রমজান আলী, যুগ্ম সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকারসহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।