মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হকের পরিবারের পক্ষে এতিমদের মাঝে খাবার ও কম্বল বিতরণ

চট্টগ্রাম : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, রাউজান থানা আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, ১১ নং পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান, যুদ্ধকালীন মুজিব বাহিনী প্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক চেয়ারম্যান-এর ৩৪ তম মৃত্যুবার্ষিকীর ধারাবাহিক কর্মসূচি অনুযায়ী ১২০ জন এতিম শিক্ষার্থীর জন্য পশ্চিম গুজরা মুনিরীয়া এতিমখানায় ১ মাসের খাদ্যসামগ্রী এবং কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

সমাজ, সংস্কৃতি, উন্নয়ন, মানবাধিকার, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তচিন্তার জবাবদিহিমূলক সংগঠন ‘আমরা করবো জয়’-এর উদ্যোগে মরহুমের পরিবার এবং মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক চেয়ারম্যান গণ পাঠাগারের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোনায়েদ কবীর সোহাগ।

মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিচালনা কমিটির সভাপতি, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মো. আজম খানের সভাপতিত্বে আয়োজনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দানবীর লায়ন মো. আবদুস সালাম, মরহুম ফজলুল হকের অনুজ সমাজহিতৈষী মো. এনামুল হক, ব্যবসায়ী লায়ন মোহাম্মদ এস্কান্দর, এস অ্যান্ড এস আলী এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজিং পার্টনার মো. ছালামত আলী।

শনিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) পশ্চিম গুজরা মুনিরীয়া এতিমখানায় অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামের পরিচালনায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য রশিদ আহমেদ, মুহাম্মদ আজিম, উপাধ্যক্ষ মাওলানা গোলাম কাদের, মাওলানা আবুল হাশেম মাছুমী, সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা আবু মোহাম্মদ আজমী, প্রভাষক মুহাম্মদ মাসুম, বাবু পিকলু মুহুরী, আরবী প্রভাষক এস.এম. আলীম উদ্দীন, আইন কলেজ ছাত্রলীগ নেতা কামরুল আলম মিন্টু, অনলাইন এক্টিভিস্ট ইফতেখার ইফতি প্রমুখ।

পরিবারের পক্ষে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন মরহুমের সুযোগ্য সন্তান লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি। মরহুমের রুহের মাগফেরাত এবং পরিবারের সাফল্য কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আল্লামা মুহাম্মদ আবদুল মন্নান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোনায়েদ কবীর সোহাগ বলেন, হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নামই মানবধর্ম। আমৃত্যু মানবসেবায় ব্রত বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক চেয়ারম্যান যুগ যুগ ধরে এসব ভালো কাজের মধ্যেই বেঁচে থাকবেন।

বর্তমান সরকার দরিদ্রদের পাশে আছে-থাকবে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার দেশ থেকে দারিদ্র্য বিমোচনে বহুদূর এগিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক চেয়ারম্যানের পরিবারের মতো অন্য বিত্তশালীদের এমন অনন্য কর্মযজ্ঞে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান তিনি।

উল্লেখ্য, বিতরণকৃত খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিলো-চাল, ডাল, তেল, হলুদ, মরিচ, মসলা, লবণ, মাছ, মুরগী, ডিম, পিঁয়াজ, রসুন, আলু, মিস্টিকুমড়া, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলা, শিমবিচিসহ বিভিন্ন প্রকারের সবজি।

একুশে/প্রেসবিজ্ঞপ্তি