শংকর চৌধুরী, খাগড়াছড়ি : পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘদিনের পুঞ্জিভূত সমস্যা ১৯৯৭ সালে শান্তিচুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে সমাধান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যার ফলে বর্তমানে পাহাড়ে শান্তিতে বসবাস করছে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ। তাই পাহাড়ি-বাঙালি বিভেদ ভুলে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, উগ্র সাম্প্রদায়িকতা রুখতে সকল স্তরের জনগণ মিলেমিশে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন খাগড়াছড়ির সাংসদ কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।
বৃহস্পতিবার রাতে খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এর হল রুমে ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান সরকারের রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দশটি উদ্যোগ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রাম কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রচারিত বহিরাঙ্গন ‘উন্নয়নের নবদিগন্ত’ আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আহ্বান জানান তিনি।
এসময় এমপি কুজেন্দ্র লাল আরো বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। কিন্তু রাষ্ট্রদ্রোহীরা তা সহ্য করতে পারেনি। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবার কথা চিন্তা করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করে। কিন্তু পরবর্তীকালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে তা বন্ধ করে দেয়।
বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রামের আঞ্চলিক পরিচালক এস এম আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে
আরো বক্তব্য রাখেন পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম সালাহউদ্দীন, লেখক ও গবেষক প্রভাংশু ত্রিপুরা ও বেতার চট্টগ্রাম উপ-আঞ্চলিক পরিচালক শাহিনা আক্তার।
পরে বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রাম কেন্দ্রের শিল্পীরা বিভিন্ন জনপ্রিয় গান এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এর শিল্পীরা স্থানীয় চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
