
ঢাকা : রাজধানী ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিপাত হয়েছে। বুধবার (২০ এপ্রিল) ভোরের দিকে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকানো, বজ্রপাত ও বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৩ কিলোমিটার। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ সারাদিন থেমে থেমে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন- খুলনা, বরিশাল বিভাগ ও চট্টগ্রামের কিছু অংশ ব্যাতীত দেশের সব বিভাগেই এ অবস্থা বিরাজমান।
তবে সবচেয়ে তীব্র ঝড় বয়ে গেছে রংপুরে, সেখানে ৭৮ কিলোমিটা বেগে হানা দিয়েছে কালবৈশাখী। আর রাজধানীতে ৭০ কিলোমিটার বেগে এয়ারপোর্ট এলাকায় কালবৈশাখী বয়ে গেছে। আগারগাঁওয়ে ঝড়ের তীব্রতা ছিল ৫৫ কিলোমিটার। বেলা ১১ টায় রিপোর্ট লেখার সময়ও চলছিল কালবৈশাখী।
তিনি বলেন, সূর্যের দেখা মিলবে। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টা এমন আবহাওয়া থাকবে। ২২ এপ্রিল ফের এমন হতে পারে। ২৪ এপ্রিল কেটে যাবে। এক্ষেত্রে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত বিচ্ছিন্নভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় হবে।
সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে রংপুরে, ৬০ মিলিমিটার। ঢাকায় হয়েছে ৪০ মিলিমিটার বর্ষণ, সঙ্গে শিলাবৃষ্টিও ছিল।
এক পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে- রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাংগাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুমিল্লা, নােয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কি.মি. বা তার অধিক বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়াে হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ২ নম্বর নৌ হুশিয়ারী সংকেত (পুনঃ) ২ নম্বর নৌ হুশিয়ারী সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম/উত্তরপশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়াে হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বুধবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায়, ১৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল রাজশাহীতে।
