মো. শাহাদত হোছাইন, কক্সবাজার : দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (বীর বিক্রম) বলেছেন, বর্তমান সরকার গরীব দুঃখী মেহনতি মানুষের সরকার। মোরায় ক্ষতিগ্রস্তদেরকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। যাদের বাড়িঘর মোরায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্গত এলাকায় ব্যাপক ত্রাণ তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। সে মোতাবেক ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে এবং থাকবে। ত্রাণ নিয়ে ছিনিমিনি করলে কাউকে ছাড়তে দেওয়া হবে না। যে কোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার সবসময় প্রস্তুত থাকে। প্রস্ততির কারণে ঘূর্ণিঝড় মোরাকে মোকাবেলা করা সম্ভব হয়েছে। এই কারণে ক্ষয়ক্ষতিও অনেক কম হয়েছে।
রোববার সকাল ১১ টায় রামু পৌঁছে মোরায় বিধ্বস্ত গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন পরিদর্শন শেষে গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ত্রাণমন্ত্রী। সভায় মোরায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন তিনি।
পরে মোরা’য় বিধ্বস্ত কচ্ছপিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ভবন পরিদর্শন শেষে সরাসরি কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণেও সুধী সমাবেশে যোগদেন মন্ত্রী। সেখানে মোরায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। এসময় মন্ত্রীর সাথে ছিলেন, কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল।
সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, রামু উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক (সার্বিক) কাজী আবদুর রহমান, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুল ইসলাম, রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহজাহান আলি, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাফর আলম চৌধুরী, মহিলা সম্পাদক মুসরাত জাহান মুন্নি, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবুল হক মুকুল, গর্জনিয়া চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
