ফের ক্ষতির মুখে কুতুবদিয়াবাসী

আজাহাদুল ইসলাম আরাফাত : ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ অাঘাত কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই ফের ক্ষতির মুখে পড়েছে কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার বাসিন্দারা। জোয়ার ও জলোচ্ছ্বাসে বেড়িবাঁধ না থাকা কুতুবদিয়ার ১২ টির বেশী গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে কয়েক হাজার বাড়ি-ঘর।

কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী বলেন, বেশকিছু এলাকায় বেড়িবাঁধ না থাকায় সাগরের পানি লোকালয়ে চলে আসে। ফলে হাজার হাজার পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।

কুতুবদিয়ার প্রায় দেড় লাখ মানুষের জানমাল রক্ষায় বেড়িবাঁধ নির্মানের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান এই জনপ্রতিনিধি।

কক্সবাজার জেলা অাওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বড়ঘোপ ইউপির চেয়ারম্যান ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী জানান. মোরার ক্ষতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে না দাঁড়াতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো ফের ক্ষতির মুখে পড়েছে। উপজেলার প্রায় ১৪০ হেষ্টর বীজতলা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের ইউপির চেয়ারম্যান অা.স.ম শাহারিয়ার চৌধূরী বলেন, গত চার বছর ধরে উত্তর ধুরুং এলাকার কাইছার পাড়া, চুল্লার পাড়া, চর ধুরুং, নয়া কাটা, অাকবরবলীর পাড়া, ফয়জানির পাড়া, উত্তর সতর উদ্দীনসহ প্রায় ১০ টিরও বেশি গ্রাম জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। এই সব এলাকায় প্রায় ১২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ বিধস্ত থাকায় শত শত পরিবার জোয়ারের নোনা জলে কষ্ট পাচ্ছে।

অালী অাকবর ডেইল ইউপির চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা নুরুচ্ছাফা জানান, কুমিরারছড়া, পূর্বতাবলেরচর, পশ্চিম তাবলেরচর, হায়দার পাড়া, তেলি পাড়া, কাহার পাড়া, কাজীর পাড়া এলাকায় বেড়িবাঁধ ভাঙ্গা থাকায় জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এতে শত শত একর ফসলি জমিসহ ঘর-বাড়ি প্লাবিত হয়। এছাড়া বড়ঘোপ ইউনিয়নেরও বেশ কিছু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ অালী হোসেন বলেন, কুতুবদিয়ার অবস্থা অামি জেনেছি। স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।