বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২, ২১ আশ্বিন ১৪২৯

চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতকানিয়ায় মানববন্ধন

প্রকাশিতঃ ১৮ অগাস্ট ২০২২ | ৬:৩৪ অপরাহ্ন


সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে টিভি জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা।

বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে সাতকানিয়ায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা টিভি জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুন অর রশীদের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক কালের কন্ঠের দক্ষিণ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম, এনটিভির দক্ষিণ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি শহীদুল ইসলাম বাবর, দৈনিক প্রথম আলোর সাতকানিয়া প্রতিনিধি মামুন মুহাম্মদ, দৈনিক ইত্তেফাকের সাতকানিয়া প্রতিনিধি দিদার চৌধুরী।

আরও উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক পূর্বকোণের সাতকানিয়া প্রতিনিধি ইকবাল মুন্না, সাতকানিয়া প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক ও দৈনিক সাঙ্গুর সাতকানিয়া প্রতিনিধি নুরুল ইসলাম সবুজ, দৈনিক ভোরের কাগজের সাতকানিয়া প্রতিনিধি মুহাম্মদ নাজিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা টিভি জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন, যুগ্ম সম্পাদক এম এহতেশামুল হক রাব্বী, সাংগঠনিক সম্পাদক তাপস দে আকাশ, দপ্তর সম্পাদক আবদুল ওয়াহাব, দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার সাতকানিয়া প্রতিনিধি এসএম রাশেদ প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্বপালনকালে সাংবাদিকদের ওপর আইনজীবীদের হামলা সত্যিই দুঃখজনক। এ ঘটনায় হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সেই আইনজীবিদের নিবন্ধন সনদও বাতিল করতে হবে।

উল্লেখ্য, বুধবার (১৭ আগস্ট) বিকালে সংবাদ সংগ্রহের জন্য যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার আল আমিন সিকদার ও ক্যামেরাপারসন আসাদুজ্জামান লিমন চট্টগ্রাম আদালত ভবনে যান। সেখানে গাড়ির হর্ন বাজালে কয়েকজন আইনজীবী এগিয়ে এসে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। পরে সাংবাকিদের মারধর করা হয়।

এ ঘটনার ভিডিও করেন ক্যামেরাপারসন আসাদুজ্জামান লিমন। ভিডিও করার কারণে তাকেও মারধর করা হয়। পরে দুজনকেই সমিতির অফিসে নিয়ে পুনরায় মারধর ও লাঞ্ছিত করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার আল আমিন বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় দুজনের নাম উল্লেখসহ ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। নাম উল্লেখ করা দুজনের মধ্যে রয়েছেন সাহেদুল হক (৩৫) ও ইসহাক আহমেদ (৩০)।