দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখরিত চট্টগ্রামের পর্যটন স্পট

চট্টগ্রাম: ঈদের ছুটিতে দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখরিত ছিল চট্টগ্রাম নগরের বিনোদনকেন্দ্র ও পর্যটন স্পটগুলো। ঈদ আনন্দ উদ্‌যাপন করতে গত তিন দিনে এসব কেন্দ্র ও স্পটে ঘুরতে এসেছে লাখো মানুষ।

পর্যটকদের ভিড়ে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত, নেভাল একাডেমি এলাকা, প্রজাপতি পার্ক, কাজীর দেউড়ি ও আগ্রাবাদের শিশুপার্ক, ফয়’স লেক কনকর্ড অ্যামিউজমেন্ট পার্ক, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, বহদ্দারহাটের স্বাধীনতা পার্ক ও ফিরিঙ্গিবাজারে কর্ণফুলী নদীর তীর এলাকা জমজমাট হয়ে ওঠে। পর্যটকদের বরণ করে নিতে এসব বিনোদনকেন্দ্রে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বুধবার দুপুরে কাজীর দেউড়ির শিশুপার্কে গিয়েও নানা বয়সী মানুষের ভিড় দেখা যায়। পার্কের ব্যবস্থাপক সোহরাব হোসেন বলেন, ঈদের দিন থেকে প্রচুর মানুষের সমাগম হচ্ছে।

এদিকে নগরের ফয়’স লেকে কনকর্ড অ্যামিউজমেন্ট পার্কে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। সবচেয়ে বেশি ভিড় হয় ওয়াটার পার্কে। ফয়’স লেক কনকর্ড অ্যামিউজমেন্ট পার্কের উপব্যবস্থাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, ‘এবার দর্শনার্থীদের উপস্থিতি অনেক। গত তিন দিনে আমাদের ধারণার চেয়ে বেশি মানুষ পার্কে বেড়াতে এসেছে।’

ঈদের পরদিন পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে আসা সাতকানিয়ার বাসিন্দা হারুন চৌধুরী বলেন, ‘সারা বছর চাকরি নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। তাই পরিবার নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয় না। এবার সুযোগ পেয়েই পরিবারের সবাইকে নিয়ে এখানে চলে এসেছি। এখন খুবই ভালো লাগছে।’

পর্যটকদের বিপুল আগমনে সৈকত এলাকার ব্যবসাও চাঙা হয়ে ওঠে। ঘূর্ণিঝড় মোরায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা ঈদ মৌসুমে কিছুটা পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। আল ইনান স্টোরের মালিক মো. সেলিম বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় সবকিছু উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছিল। ফলে ব্যবসায় প্রচুর ক্ষতি হয়। তবে ঈদের ছুটিতে গত দুই দিনে প্রচুর মানুষ এসেছে। ব্যবসাও ভালো হয়েছে।’